kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ভালুকায় ‘চোখ ওঠা’ রোগী বাড়ছে, ওষুধের তীব্র সংকট

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১ অক্টোবর, ২০২২ ১২:৫৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভালুকায় ‘চোখ ওঠা’ রোগী বাড়ছে, ওষুধের তীব্র সংকট

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে কনজাংটিভাইটিস বা ‘চোখ ওঠা’ রোগীর সংখ্যা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসছেন।  

ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি সূত্র জানায়, দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। এদিকে, হঠাৎ চোখ ওঠা রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ভালুকার ফার্মেসিগুলোতে চোখের জীবাণুনাশক ড্রপের সংকট দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

 

সুমন নামের একজন রোগী জানান, কয়েকদিন আগে তার চোখ উঠেছে। প্রথমে চোখে জ্বালাপোড়া ও যন্ত্রণা হচ্ছিল এবং চোখ ফুলে গিয়েছিল। এতে তিনি সতর্কতার সাথে বাড়িতেই অবস্থান করছেন।  

ভালুকা পৌরসভার শহীদ নাজিম উদ্দিন সড়কের প্রগতি মেডিকেল হলের মালিক বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, চোখ ওঠা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় চোখের জীবাণুনাশক ড্রপের চাহিদা বেড়েছে। গত এক বছরে যে পরিমাণ চোখের জীবাণুনাশক বিক্রি হয়েছে, গত সাত দিনে হয়েছে তার চেয়ে বেশি।  

এদিকে, এক সপ্তাহ ধরে চোখ ওঠা রোগীর জন্য জীবাণুনাশক ড্রপ সিপ্রোফক্সিন, সুপ্রাফেনসহ প্রায় সব ধরনের ড্রপের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।  

শনিবার (১ অক্টোবর) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ হাসানুল হোসাইন কালের কণ্ঠকে বলেন, ভালুকায় কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। তবে এ নিয়ে শঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সাধারণত এ রোগের জন্য তেমন কোনো ওষুধের প্রয়োজন পড়ে না। আক্রান্ত রোগীকে কালো চশমা পরা, হাত দিয়ে চোখ স্পর্শ না করা, ব্যবহার্য জিনিস পৃথক রাখা ও এলার্জি হতে পারে এমন খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন তিনি।  ওষুধ সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘হঠাৎ দেশজুড়ে রোগটি ছড়িয়ে পড়ায় হয়তো কোম্পানিগুলো সরবরাহ করতে পারছে না। ’ 

 


সাতদিনের সেরা