kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ নভেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

ধর্ষণ মামলার আলামত নষ্টের অভিযোগ

ধুনট থানা থেকে বদলীকৃত ওসির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি    

১ অক্টোবর, ২০২২ ১১:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধুনট থানা থেকে বদলীকৃত ওসির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ

বগুড়ার ধুনট থানা থেকে সদ্য বদলিকৃত ওসি কৃপা সিন্ধু বালা

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আলামত নষ্টের অভিযোগে বগুড়ার ধুনট থানা থেকে সদ্য বদলীকৃত ওসি কৃপা সিন্ধু বালার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা ওই অভিযোগের বাদী ভিকটিমের মা ও ওসি কৃপা সিন্ধু বালার কাছ থেকে অভিযোগের শুনানিসহ ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

শনিবার ধর্ষণ মামলার বাদী ভিকটিমের মা এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বগুড়ার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি শুক্রবার রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত ওই অভিযোগের শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ করে। তদন্ত কমিটিতে ছিলেন বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আব্দুর রশিদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সরাফত ইসলাম ও বগুড়া কোর্ট পরিদর্শক সুব্রত ব্যানার্জী।

বিজ্ঞাপন

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শৈলমারী গ্রামের মুরাদুজ্জামান (৩৮) নামে এক প্রভাষক ধুনট শহরের অফিসারপাড়ায় একটি বাসায় ভাড়া থাকতেন। ওই বাড়ির এক স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ৩ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত কয়েক দফা ধর্ষণ এবং ওই ধর্ষণ দৃশ্যের ভিডিও ধারণ করেন মুরাদুজ্জামান। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে ১২ মে মুরাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই দিনই মুরাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করে পুলিশ।   

ওই ধর্ষণ মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন ওসি কৃপা সিন্ধু বালা। পরবর্তী সময়ে উদ্ধার করা মোবাইল ফোন থেকে ধর্ষণের ভিডিও মুছে ফেলার অভিযোগ ওঠে ওসির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওসি কৃপা সিন্ধু বালার বিরুদ্ধে ২ আগস্ট বগুড়া পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে অভিযোগ দেন মামলার বাদী। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ সুপার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটির সদস্যরা ১৬ আগস্ট সরেজমিন তদন্ত এবং অভিযোগের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এ অবস্থায় ২৮ আগস্ট ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালাকে পাবনা জেলায় বদলি করা হয়।           

তদন্ত কমিটির প্রধান বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আব্দুর রশিদ বলেন, ওসি কৃপা সিন্ধু বালার বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্তকাজ প্রায় শেষ হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ সুপারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।



সাতদিনের সেরা