kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৯ নভেম্বর ২০২২ । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

বগুড়ায় নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা

নির্বাচনে কেউ আসবে না বলে ক্রাইসিস তৈরি করতে পারব না

বগুড়া অফিস   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২২:৪৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নির্বাচনে কেউ আসবে না বলে ক্রাইসিস তৈরি করতে পারব না

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। যেখানে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করবেন। আমরা সবসময় চেয়েছি, এখনো চাচ্ছি; সবাই আসবেন, এটা আমরা বিশ্বাস করি।  

কমিশনের সামনে নির্বাচন করার আইন দেওয়া আছে, সংবিধান দেওয়া আছে।

বিজ্ঞাপন

কেউ আসবেন না বলে তো আমরা সংবিধান লঙ্ঘন করতে পারি না, দেশে ক্রাইসিস তৈরি করে দিতে পারব না, সেটা উচিত হবে না। এতে দেশে নৈরাজ্যমূলক অবস্থা সৃষ্টি করবে, এতে দেশের ও জনগণের ক্ষতি হবে। আমাদের যে আইনের কাঠামো রয়েছে তার মধ্যে থেকেই নির্বাচন করব। আমরা আহবান করব উনারা আসবেন। আমরা বিশ্বাস করি ওনারা আসবেন, কারণ ওনারাও দেশকে ভালোবাসেন, ওনারাও জনগণের বন্ধু।  

তিনি আরো বলেন, যারা ইভিএম নিয়ে নানা সংশয়ের কথা বলেন, তাদেরকে অনেকবার বিশেষজ্ঞ নিয়ে এসে ইভিএমের ত্রুটি বের করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দল কিংবা অন্য কেউই এর কোনো সমস্যা বের করতে পারেনি। শুধু মুখে বললে হবে না আমরা প্রমাণ চাই ইভিএমে কী কী ত্রুটি আছে।

আজ শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে বগুড়া সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে জানিয়ে বেগম রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘এটি চলমান বিষয়। সব নির্বাচনের বুথে সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা থাকবে। ইতোমধ্যে আমরা সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা করেছি। তবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবস্থা থাকলেও সিসি ক্যামেরা থাকবে না। ’

তিনি বলেন, ‘বগুড়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে দুই প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা যে সকল অভিযোগ তুলেছে সেগুলোর কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি। তবে যারাই নির্বাচনী বিধি-নিষেধ অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের আগে সম্মেলন কক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতি. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সালাহ্উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে এসময় পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল মোমিন খান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাছান, অতি. জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এতে অংশগ্রহণ করেন।



সাতদিনের সেরা