kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সাত ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:২২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাত ডাকাত গ্রেপ্তার, মালামাল উদ্ধার

গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত। ছবি- কালের কণ্ঠ।

ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাত ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে মানিকগঞ্জ সিঙ্গাইর থানা পুলিশ। গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সাভারের আশুলিয়া ও সিঙ্গাইর উপজেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে এসব ডাকাত গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শুক্রবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে স্থানীয় গণমাধ্যমর্কমীদের এই তথ্য জানান থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) সফিকুল ইসলাম মোল্লা।

গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতরা হলো- সিঙ্গাইর উপজেলার খৈয়েমুরি গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে মহিদুর ওরফে  শামীম (৩০), একই উপজলোর সোনাটেংরা গ্রামের আদম আলীর ছেলে মো. মোশারফ মোল্লা ওরফে মোসা (২৭), ওয়াইজনগর গ্রামের মৃত সাদেক খানের ছেলে মো. কুদ্দুস খা (৫০), বকচর গ্রামের তমেজ উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল দেওয়ান (২৮), ঢাকার সাভার উপজলোর চকবাড়ি গ্রামের মেজবানের ছেলে মো. আরমান (৩৫),  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার ছলিমগঞ্জ বাড়াইল গ্রামের মৃত ইদন মিয়ার ছেলে মো. মোমেন মিয়া (২৮) ও ঝালকাঠি গ্রামের রাজাপুর উপজেলার সাংগুর গ্রামের মৃত আজাহার সরদারের ছেলে মো. মিরাজ সরদার (৩৬)।

বিজ্ঞাপন

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ওসি সফিকুল ইসলাম মোল্যা জানান, গত ২২ সেপ্টেম্বের রাতে সিঙ্গাইর উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের মহিবুর রহমান, আ. কাদের, আবু ছাহেদ, ও আবু জাফরের বাড়িতে ডাকাতি হয়। ডাকাতরা নগদ টাকা, র্স্বণালংকার ও তিনটি মুঠোফোন সেটসহ মোট ৬ লক্ষাধিক টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় ওই দিনই অজ্ঞাত পরিচয়ে ১০-১২ জনকে আসামি করে থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন মহিবুর রহমান। এই মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মহিদুর ওরফে শামীমকে গ্রেপ্তার করে ২৯ সেপ্টেম্বর আদালতে পাঠায় পুলিশ।

পরে মহিদুর ওই ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। সেই সঙ্গে সে ডাকাতির সাথে জড়িত তার আরো ৮ সহযোগীর নাম প্রকাশ করে। তার দেওয়া তথ্যমতে এদের মধ্যে ৬ ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় নগদ টাকাসহ লুণ্ঠিত মালামালের কিছু অংশ।

থানার ওসি সফিকুল ইসলাম মোল্যা বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ডাকাতদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাদের আজ শুক্রবার আদালতে পাঠানো হয়। অন্যান্য চোর-ডাকাতদের ধরতে সাড়াশি অভিযান চলছে। '



সাতদিনের সেরা