kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

রাস্তার কাজে চাঁদা দাবি, ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

সালথা-নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:২১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাস্তার কাজে চাঁদা দাবি, ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মুসা-ইমামুল খান

ফরিদপুরের সালথায় কক্সবাজার যাওয়ার কথা বলে এক ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তারা হলেন সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইমামুল খান (২৫), আবু মুসা ওরফে প্রিন্স মুসা (২২) ও জসীম মোল্যা (২০) নামের এক ছাত্রলীগ কর্মী। তাদের সবার বাড়ি উপজেলা সদরের মাঠ সালথা এলাকায়।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের ফরিদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সালথা থানার ওসি মো. শেখ সাদিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সালথা কলেজ রোড এলাকায় দুই কিলোমিটার রাস্তার কার্পেটিং কাজ করছে তাসা কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ওই কাজের মালামালের ট্রলি আটক করে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন ৮-১০ জন যুবক। দাবীকৃত চাঁদা না দেওয়ায় তারা ট্রলিচালককে মারধর করে রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়।  

তাসা কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, 'ওই এলাকার কয়েকজন যুবক কক্সবাজারে যাওয়ার খরচ চেয়ে রাস্তার মালামালসহ ট্রলি গাড়ি আটকিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এর আগে তাদের পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে জানান তিনি। পরে চাঁদা দাবির বিষয়টি পুলিশকে জানালে তাদের আটক করা হয়। এ বিষয়ে থানায় একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে। '

সালথা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রায় মোহন রায় বলেন, 'ছাত্রলীগ ভালো কাজ করলে সুনাম হয়। আবার খারাপ কাজের সঙ্গে জড়িত হলে বদনাম পুরো সংগঠনের ওপর পড়ে। তবে আমি বিষয়টি শুনেছি। সেখানকার একটি পক্ষ বলছে, রাস্তায় নিম্নমানের কাজ হচ্ছে বলে কাজে বাধা দেওয়া হয়েছে। আবার আরেকটি পক্ষ বলছে, ট্রলি থামিয়ে তারা চাঁদা দাবি করেছে। তাই আমরা সত্য মিথ্যা যাচাই করতে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করব। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সাংগঠনিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। '

এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান ও সাধারণ সম্পাদক ফাহিম আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. সাদিক বলেন, 'চাঁদাবাজির অভিযোগে থানায় একটি এজাহার দায়েরের পর তিন যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী কি না তা আমার জানা নেই। '



সাতদিনের সেরা