kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০২২ । ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

লক্ষ্মীপুরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রসূতিকে মারধরের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৫:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লক্ষ্মীপুরে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রসূতিকে মারধরের অভিযোগ

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, লক্ষ্মীপুর

লক্ষ্মীপুরে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে (মাতৃমঙ্গল) পপি বেগম নামে এক প্রসূতিকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসক রুবিনা আক্তারসহ হাসপাতালের নার্স-কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চিকিৎসক রুবিনাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী। প্রসূতির গর্ভের সন্তানকে জারজ বলার অভিযোগ করা হয় ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ পেয়ে সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

বিজ্ঞাপন

প্রসূতি পপি সদর উপজেলার পালের হাট এলাকার ফল ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ৭ মাসের প্রসূতি পপি আজ সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে গর্ভবতী টিকা দেওয়ার জন্য মাতৃমঙ্গলে আসেন। পরে কাউন্টার থেকে টিকার কার্ড নিয়ে চিকিৎসক রুবিনার রুমে যান তিনি। এসময় কার্ডে বয়স ভুল (২৭ বছর) উল্লেখ করে পেটে জারজ সন্তান রয়েছে বলে তাঁর সঙ্গে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেন চিকিৎসক। এতে প্রতিবাদ করায় চিকিৎসক রুবিনা, নার্স শামিমা নাসরিন ও পিয়ন আলম মিলে তাকে কিল-ঘুষি মারেন।

প্রসূতি পপি বেগম বলেন, চিকিৎসক রুবিনা আমার গর্ভের সন্তানকে জারজ বলেছে। এতে প্রতিবাদ করায় নার্স-কর্মচারীসহ তিনি আমাকে মারধর করেছেন। আমার গর্ভের সন্তান ঝুঁকিতে রয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মো. নুরুজ্জামান ও নার্স শামিমা নাসরিন জানায়, প্রসূতির গর্ভবতী হওয়ার তারিখ ভূল ছিল। এটি বলায় তিনি চিকিৎসক রুবিনার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে জুতা হাতে মারার জন্য তেড়ে যান। এসময় নার্স শামিমা ও পিয়ন আলম চিকিৎসককে রক্ষা করেন। পরে প্রসূতিকে বের হয়ে যেতে বলেন। তাকে কেউ মারেনি। তিনি মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ঘটনায় চিকিৎসক রুবিনা আক্তার বলেন, ওই প্রসূতির টিকা কার্ডে তার নিজের বয়স ২৭ বছর লেখা ছিল। তাঁর একটি ছেলে আছে ১৩ বছর বয়সের। এতে বয়স ভুল বলায় তিনি আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। তাঁর সঙ্গে আমি কোনো খারাপ আচরণ করিনি। তাকে মারধরও করা হয়নি। তিনি আমাকে মারতে এলে নার্স ও কর্মচারী তাকে বুঝিয়ে চলে যেতে বলেন।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বেলায়েত হোসেন এ বিষয়ে বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথাও বলা হয়েছে। চিকিৎসকরা সরকারি চাকরি করেন। এ বিষয়ে উভয়পক্ষকে বিকেলে থানায় আসার জন্য বলা হয়েছে।



সাতদিনের সেরা