kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০২২ । ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

‘আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল’, ১৬ ঘণ্টা পর বললেন মরিয়মের মা

খুলনা অফিস    

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৫:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল’, ১৬ ঘণ্টা পর বললেন মরিয়মের মা

রহিমা বেগমকে কাছে পেয়ে জড়িয়ে ধরে কান্না করেন মেয়েরা। ছবি : সংগৃহীত

উদ্ধারের ১৬ ঘণ্টা পর মুখ খুলেছেন খুলনার আলোচিত নিখোঁজ গৃহবধূ রহিমা বেগম (৫২)। তাঁর দাবি, নিজ বাসার নিচ থেকে চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত মুখে কাপড় বেঁধে অপহরণ করে তাকে।

রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টার দিকে সন্তানের মুখোমুখি করা হয় রহিমা বেগমকে। এ সময় তিনি এ দাবি করেন।

বিজ্ঞাপন

 

পুলিশ ইনভেস্টিগেশন অব বাংলাদেশ (পিবিআই) খুলনার পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বেলা আড়াইটার দিকে কালের কণ্ঠকে এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, শনিবার ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে উদ্ধারের পর থেকে কোনো কথাই বলছিলেন না রহিমা বেগম। বেলা ১টার দিকে তাঁর সন্তানের মুখোমুখি আনা হয়। পরে তিনি অপহৃত হয়েছিলেন বলে দাবি করেন।
 
জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, রহিমা বেগমকে অপহরণের পর অজ্ঞাত স্থানে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে দাবি করেন। জমিজমার বিরোধ থাকা কিবরিয়া, মহিউদ্দিনসহ কয়েক ব্যক্তি তাঁর কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন ও বাড়াবাড়ি না করার হুমকি দেন। এক পর্যায়ে তাঁকে এক হাজার টাকা দিয়ে ছেড়ে দেন।

রহিমা বেগমের দাবি, তিনি কিছুই চিনতে পারছিলেন না। এক পর্যায়ে গোপালগঞ্জের মুকসেদপুর হয়ে পূর্বপরিচিত ভাড়াটিয়ার ফরিদপুরের বোয়ালখালী উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামে যান। কিন্তু তাঁর কাছে কোনো মোবাইল নম্বর না থাকায় কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।

পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা রহিমা বেগমের বক্তব্য যাচাই-বাছাই করছি। তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আইন অনুযায়ী সব কিছু করা হবে। ’ 



সাতদিনের সেরা