kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ ।  ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

মৃত্যুর পর রোগীর লাশ ফেলে রাখে রাস্তায়, দাবি স্বজনদের

ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি    

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৬:৩৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মৃত্যুর পর রোগীর লাশ ফেলে রাখে রাস্তায়, দাবি স্বজনদের

ভাঙ্গা উপজেলা সদরের একটি বেসরকারী হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নাকের পলিপাস অপারেশনের পর রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মৃত ব্যক্তির নাম রুহুল আমিন (৩০)। তিনি নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদী ইউনিয়নের ত্রিভাগদী গ্রামের রব মাতুব্বরের ছেলে। এ ঘটনায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

   

রুহুল আমিনের মা ছবেদা খাতুন (৬৫) বলেন, 'আমার সুস্থ ছেলে বাড়ি থেকে আসল। অপারেশন করার পরেই রাতে কোন সময় মারা গেল বুঝতে পারলাম না। সকালে ফরিদপুর পাঠানোর কথা বলে রোডের সামনে রেখে দেছে আমার বাজানরে। ওরা কসাই আমার বাজানরে মাইরা হাইটা গেছে। '

নিহতের ছোট ভাই আল-আমিন বলেন, বিদেশ থেকে দেশে এসে কৃষি কাজ করে সংসার চালাতো। আমার ভাইয়ের অপারেশন করেছে ডা. মোহাম্মদ মারুফ শাহরিয়ার। তিনি ঢাকার ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালের নাক, কান, গলারোগ বিশেষজ্ঞ এবং হেড ও নেক সার্জন কনসালটেন্ট ডা. মোহাম্মদ মারুফ শাহরিয়ার।  

নিহতের মামাতো বোন আলেয়া বেগম (৩৫) জানান, তার মামাতো ভাই রুহুল আমিন গত শুক্রবার বিকেলে নাকের পলিপাস অপারেশনের জন্য ভাঙ্গা পৌরসদরের ভাঙ্গা বাজারের দেশ জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আসেন। রাতে তার অপারেশন করা হয়। আজ শনিবার সকালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর কথা বলে রুহুল আমিনের লাশ হাসপাতালের সামনের সড়কের পাশে রেখে দেয়।
 
হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন চোকদার বলেন, রোগীর স্বজনদের সাথে আমাদের মিমাংসা হয়ে গেছে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে অপারেশন ভাল ভাবেই হয়। শনিবার সকাল ৬টার দিকে ওই রোগীর শ্বাস কষ্ট ও বুকে ব্যথা দেখা দেয়। তাকে হাসপাতালের সামনের সড়কে নেওয়া হয় ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর জন্য। ওই সময় তার মৃত্যু হয়।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়ারুল ইসলাম বলেন, বেসরকারী হাসপাতালে রোগী মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। রোগীর স্বজনরা অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা