kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

চট্টগ্রামে চার পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:১৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চট্টগ্রামে চার পুলিশ কর্মকর্তাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের এক কর্মকর্তাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো, ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে চার পুলিশ কর্মকর্তাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে আদালতে। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর)  অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল হালিমের আদালতে আবেদনটি করেন হাসপাতালের সহকারী ওয়ার্ড মাস্টার কামরুল ইসলাম।

অভিযুক্তরা হলেন- নগরের বন্দর থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ বর্তমানে নগর পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মহিউদ্দিন মাহমুদ, বন্দর থানার সাবেক এসআই রবিউল ইসলাম ভুঁইয়া ও কে এম জান্নাত সজল, নগর গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক এসআই বর্তমানে সিলেটে কর্মরত মঙ্গল বিকাশ চাকমা, বন্দর এলাকার বাসিন্দা জামাল ফরাজী ও মিলন ফরাজী।

বাদীর আইনজীবী আসাদুজ্জামান খান বলেন, পুলিশ কর্মকর্তাদের সহায়তায় বাদীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি, গ্রেপ্তার এবং পরবর্তী সময়ে মামলা থেকে অব্যাহতি পান।

বিজ্ঞাপন

মিথ্যা মামলা করায় তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আদালত আগামী ১২ ডিসেম্বর আদেশের জন্য রেখেছেন।

মামলার আবেদনে বাদী উল্লেখ করেন, তিনি একটি মাল্টিপারপাস কম্পানিতে টাকা জমা রাখেন। আট লাখ টাকা ফেরত চাইলে পুলিশ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় তাকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। ২০১৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর নগরের আগ্রাবাদে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে তাকে বন্দর থানার একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে। তাকে পুরো শহর ঘোরানো হয়। এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। নইলে ক্রসফায়ারের হুমকি দেওয়া হয়। পরে তাকে ওই মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। পাঁচ দিন পর মুক্তি পান। এই মামলায় তদন্তে তার বিরুদ্ধে সত্যতা না পাওয়ায় অব্যাহতি দেওয়া হয়। যে সময় চুরির ঘটনা দেখানো হয়, তখন তিনি হাসপাতালে দায়িত্বরত ছিলেন। হাসপাতাল থেকে তাকে ধরে নিয়ে যান এসআই কে এম জান্নাত সজল। আর কাগজপত্রে দেখানো হয় এসআই আবদুর রহিম। এভাবে ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা হয়েছে। পরে তাকে মাদকের মামলায় ফাঁসানো হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মহিউদ্দিন মাহমুদ বলেন, চুরির মামলার এজাহারে নাম থাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। স্বয়ং বাদী এসে থানায় খবর দেন। পরে তদন্তে পুলিশ তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন। যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের পর বিভিন্ন জায়গায় ঘুরিয়েছে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।



সাতদিনের সেরা