kalerkantho

বুধবার । ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

যুবলীগ কর্মী জিল্লুর হত্যা, আসামির স্বীকারোক্তি

কুমিল্লা প্রতিনিধি   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২১:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যুবলীগ কর্মী জিল্লুর হত্যা, আসামির স্বীকারোক্তি

ছবি- বামে যুবলীগ কর্মী জিল্লুর ও ডানে গ্রেপ্তারকৃত আরমান হোসেন।

কুমিল্লার চাঞ্চল্যকর যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরী ওরফে গোলাম জিলানী হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এজাহার-বহির্ভূত এক আসামি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ বুধবার রাতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই, কুমিল্লার পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত আরমান হোসেন (২৮) কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উলুরচর গ্রামে নোয়া বাড়ির মৃত আবদুল গফুরের ছেলে। আজ দুপুরে আদালতে হাজির করলে কুমিল্লার ৪ নম্বর আমলি আদালতের জ্যৈষ্ঠ বিচারিক হাকিম শারমিন রিমার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ওই আসামি।

বিজ্ঞাপন

এরপর আদালত তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।

পিবিআইয়ের পরিদর্শক বিপুল চন্দ্র দেবনাথ জানান, 'দীর্ঘ চেষ্টার পর গতকাল মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লা নগরীর চৌয়ারা বাজার এলাকা থেকে আরমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জবানবন্দিতে ওই আসামি বলেছেন- হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়েছিলেন তারা ৯ জন। তাদের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত আরমান ছাড়া বাকি ৮ জনই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তবে খুনের পরিকল্পনাকারীরা সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেননি। '

আজ বুধবার রাতে তাৎক্ষণিকভাবে দেশজুড়ে আলোচিত ওই খুনের পরিকল্পনাকারী ও হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া বাকি ৮ জনের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি তদন্ত কর্মকর্তা বিপুল চন্দ্র দেবনাথ। তিনি বলেছেন- 'বাকিটা তদন্তের পর জানানো হবে। '

প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০২০ সালের ১১ নভেম্বর সকালে নগরীর চৌয়ারা এলাকায় যুবলীগ কর্মী জিল্লুর রহমান চৌধুরীকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী। ঘটনার পরদিন তার ভাই ইমরান হোসেন চৌধুরী কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আলোচিত এ মামলাটি প্রথমে তদন্ত করে থানা পুলিশ। গত বছরের ২ ডিসেম্বর মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই, কুমিল্লা।



সাতদিনের সেরা