kalerkantho

শনিবার । ১ অক্টোবর ২০২২ । ১৬ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলারে আবারও বাল্কহেডের ধাক্কা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৮:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলারে আবারও বাল্কহেডের ধাক্কা

দুই দিনের ব্যবধানে আবারও বঙ্গবন্ধু সেতুর পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে বালুবোঝাই দুটি বাল্কহেড ডুবে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সেতুর ৯ ও ১০ নম্বর পিলারে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর ৯ নম্বর পিলারে ধাক্কা লেগে একটি বাল্কহেড ডুবে গেলে এক শ্রমিক নিখোঁজ হন। তাকে এখনো পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

এদিকে প্রতিদিনই শত শত বাল্কহেড বালু বোঝাই দিয়ে এ নৌপথে চলাচল করে থাকে। ক্রটিপূর্ণ ও ফিটনেসবিহীন এসব বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতুর পিলারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সেতুসংশ্লিষ্টরা। তবে এসব বিষয়ে নৌ পুলিশ অজ্ঞাত কারণে উদাসীন।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার ওসি মোসাদ্দেক হোসেন জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সেতুর ১০ নম্বর পিলারের সঙ্গে একটি বাল্কহেড ধাক্কা লেগে ডুবে যায়। এর ঘণ্টাখানেক পর ৯ নম্বর পিলারের সঙ্গে বালুবোঝাই আরেকটি বাল্কহেড ধাক্কা দিয়ে মাঝামাঝি অবস্থায় আটকে আছে। বিষয়টি নৌ পুলিশকে অবগত করা হয়েছে।   

ওসি আরো বলেন, ডুবে যাওয়া বাল্কহেডটি সিরাজগঞ্জ সদরের বালুমহাল থেকে বালু নিয়ে নারায়ণগঞ্জ এবং আটকে যাওয়া বাল্কহেডটি ফরিদপুর সিএনবি ঘাটের দিকে যাচ্ছিল। তবে বাল্কহেড দুটিতে থাকা শ্রমিকরা সাঁতরে নদীর তীরে ওঠায় কেউ হতাহত হয়নি।

ডুবে যাওয়া বাল্কহেডের থাকা শ্রমিক আক্তার হোসেন বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের হাজি সাত্তারের বালুমহাল থেকে বালু ভর্তি করে বাল্কহেডটি নিয়ে আমরা নারায়ণগঞ্জের দিকে রওনা হয়েছিলাম। নদীতে অতিরিক্ত স্রোতের কারণে পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লাগার পর বাল্কহেডটি ডুবে যায়। ঘটনার সময় বাল্কহেডে থাকা পাঁচ শ্রমিক লাইফ জ্যাকেট পরে সাঁতরে রান্ধুনীবাড়ি চরে উঠেছি। ’

বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইড অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান মাসুদ বাপ্পী বলেন, বালুবোঝাই বাল্কহেড সেতুর পিলারে বারবার ধাক্কা দিচ্ছে। এতে সেতুর পিলারের ক্ষতি হতে পারে। বালুভর্তি বাল্কহেড যাতে সেতুর নিচ দিয়ে চলাচল করতে না পারে সে বিষয়ে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলা হবে।

এ বিষয়ে নৌ পুলিশ বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম ফাঁড়ির ইনচার্জ আতাউর রহমান বলেন, সেতুর সাথে আটকে থাকা বাল্কহেডটি কিছু সময় পর নদীতে ডুবে গেছে। ক্রটিপূর্ণ ও ফিটনেসবিহীনের জন্য নয়, নদীতে অতিরিক্ত স্রোতের কারণে এ ঘটনা ঘটছে।  



সাতদিনের সেরা