kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ অক্টোবর ২০২২ । ২১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

পিবিআইয়ের সংবাদ সম্মেলন

৩ সহযোগী নিয়ে বাবাকে হত্যা করেন জাহিদুল

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১৭:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩ সহযোগী নিয়ে বাবাকে হত্যা করেন জাহিদুল

গ্রেপ্তার জাহিদুল ইসলাম এবং মো. জামাত আলী।

জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে নিজের বাবাকে খুন করেন জাহিদুল ইসলাম (৩২)। বাবাকে হত্যা করতে অন্যদের সহযোগিতা নেন তিনি। গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের বৈষ্ণব দাস গ্রামের মো. সেকেন্দার আলী বাদশা খুনের মামলায় তদন্ত করে এমন তথ্য পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

আজ মঙ্গলবার সকালে পিবিআই,গাইবান্ধার পুলিশ সুপার এ আর এম আলিফ তাঁর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ আইয়ুব আলী, রানু মিয়া, ইউনুস আলী, মাহাবুর রহমান, রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন জাহিদুল। সে সময় তিনি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাদের হত্যার হুমকি প্রদানেরও অভিযোগ করেন। ২০১৮ সালের ৪ মে সকালে বাদী জাহিদুল ইসলামের বাবা সেকেন্দার আলী বাদশা বাড়ির পাশে খুন হন। চলতি বছরের ৯ জুন পিবিআই মামলাটির তদন্তভার পায়।

তিনি আরো জানান, পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসে প্রতিপক্ষ আসামিদের ফাঁসাতে নিজেই সেকেন্দার আলীকে খুন করেন বাদী জাহিদুল। এ হত্যাকাণ্ডে একই এলাকার মো. জামাত আলী (৬৩), মো. আব্দুল মান্নাফ (৫২), মো. আবদুল আজিজ (৪৫) জড়িত। তাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামি মো. জামাত আলী ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সস্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করে নিহত বাদশার ছেলে জাহিদুলক মূল পরিকল্পনাকারী বলে জানান তিনি।

পুলিশ সুপার আরো বলেন, ছেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই চার আসামি বাদশাকে একটি বাঁশঝাড়ে নিয়ে গিয়ে গলায় মোটা গেঞ্জি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা চালালে তিনি জ্ঞান হারান। তাকে মৃত ভেবে একটি নালায় ফেলে রেখে আসামিরা চলে গেলেও পরদিন কৌতূহলবশত বাঁশঝাড় ফিরে গিয়ে তারা বাদশাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখেন। এ সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি তাদের দেখে ফেললে তারা বাদশাকে সংকটজনক অবস্থায় নিজ বাড়িতে নিয়ে যেতে বাধ্য হন। বাদশা কথা বলতে পারছিলেন না। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এরপর জাহিদুল বাদী হয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মামলা করেন।  



সাতদিনের সেরা