kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১৫ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

হরিণের মাংসসহ চোরাকারবারি আটক

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি   

১৯ আগস্ট, ২০২২ ১৭:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হরিণের মাংসসহ চোরাকারবারি আটক

সুন্দরবনে থেমে নেই হরিণ শিকার। আজ শুক্রবার (১৯ আগস্ট) ভোরের আবছা আলোয় এক চোরা শিকারির কাছ থেকে চার কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করেছে কয়রা থানা পুলিশ। এ সময় আটক হয় ৪ নম্বর কয়রা গ্রামের রুহুল আমিন সানা (৩৮)।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পল্লীমঙ্গল এলাকার পিচের রাস্তার ওপর থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

এ সময় তার কাছ থেকে কালো রঙের ব্যাগের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো চার কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। পরে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী নিধন আইনে মামলা করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৭ আগস্ট রাত তিনটার দিকে কয়রা সদরের ৪ নম্বর কয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় হরিণের মাংস বিক্রি হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তাৎক্ষণিক ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে রওনা হয় কয়রা থানা পুলিশ। সেখানে পৌঁছে দেখতে পায় কয়েকজনের একটি জটলা। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে যে যার মতো পালিয়ে যায়। সেদিন কাউকে আটক করতে না পারলেও উদ্ধার হয় তিন কেজি হরিণের মাংস।

গত ৫ জুন সুন্দরবনে অভিযান চালিয়ে জবাইকৃত দুটি হরিণ, একটি নৌকা ও হরিণ ধরার ফাঁদ উদ্ধার করেন কয়রার হড্ডা বন টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান।

হরিণ শিকারিদের ধরতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনীর এত এত কঠোর অভিযান সত্ত্বেও বন্ধ হচ্ছে না তাদের তৎপরতা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়রা উপজেলায় পেশাদার হরিণ শিকারিদের আছে বিশেষ সিন্ডিকেট এবং তাদের সঙ্গে থাকে এজেন্ট ব্যবসায়ীরা। এসব এজেন্টের মাধ্যমে কখনো অগ্রিম অর্ডার আবার কখনো মাংস এনে তারপর বিক্রি করা হয়।

তারা বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে আবার প্রশাসন বা বন বিভাগের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় কেউ কেউ আটক হলেও অধিকাংশ সময় ধরা পড়ে না হরিণ শিকারি ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত মূল চক্র।

হরিণ শিকারের ব্যাপারে জানতে চাইলে কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ বি এম এস দোহা কালের কণ্ঠকে বলেন, 'হরিণ শিকার ও পাচার রোধে তারা সব সময় সতর্ক রয়েছেন। বিভিন্ন সময় তারা অভিযান চালিয়ে হরিণের মাংস ও চামড়া উদ্ধার করেছেন। আজও হরিণের মাংস উদ্ধারের পর বন্য প্রাণী নিধন আইনে মামলা করা হয়েছে। '



সাতদিনের সেরা