kalerkantho

শুক্রবার । ৭ অক্টোবর ২০২২ । ২২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

এডিশনাল এসপি মহররমের বরখাস্ত চায় বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ

বরগুনা প্রতিনিধি   

১৭ আগস্ট, ২০২২ ০২:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এডিশনাল এসপি মহররমের বরখাস্ত চায় বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ

শোক দিবসে এমপির সামনেই ছাত্রলীগকে লাঠিপেটার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ। একই সময়ে জেলার উপজেলাগুলোতেও এডিশনাল এসপি মহররম আলীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পৌর মার্কেটের সামনে এসে শেষ হয়।

বিজ্ঞাপন

এখানেই পথসভা করে জেলা আওয়ামী লীগ। এরপর এডিশনাল এসপি মহররম আলীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

বিক্ষোভ ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম সারোয়ার টুকু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্বাস হোসেন মন্টু, পৌর মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ, সদস্য মশিউর রহমান শিহাব, যুবলীগের সভাপতি রেজাউল কবির এ্যাটম, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুবায়ের আদনান অনিকসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একাংশের নেতারা। এ সময় তারা এডিশনার এসপি মহররম আলীকে বরখাস্ত ও তার বিচারের দাবি জানান।

পথসভায় বক্তব্যে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, এই মহররম ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন, তার বাবা-চাচা বিএনপির নেতা ছিলেন। তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের ছাত্রলীগকে পিটিয়েছে। শুধু বদলি করলেই আমরা সব ভুলে যাব না। আমরা ওই মহররমের বরখাস্ত এবং বিচার চাই।

এমপি শম্ভু বলেন, কালকের ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। আমাদের ছেলেদের কোনো দোষ ছিল না, তবুও নির্বিচারে পেটানো হয়েছে তাদের। এডিশনাল এসপি মহররম আলীর নেতৃত্বে পুলিশ এমন জঘন্য কাণ্ড ঘটিয়েছে। আমরা এ ঘটনায় জড়িতদের বিচার চাই এবং যারা আহত হয়েছে তাদের চিকিৎসার সব ভার বহন করবে জেলা আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে নিজ হাতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তার এই অগ্রযাত্রায় বাধা দিতে কুচক্রীরা এখনো সক্রিয়।

এ সময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, বরগুনার ইতিহাসে সবচেয়ে নোংরা কমিটি হয়েছে এবার। জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে কাউন্সিলিং না করে অযোগ্যদের দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। আজ যোগ্যরা কমিটিতে থাকলে এত কিছু হতো না। আজ থেকে এই কমিটি বরগুনায় অবাঞ্ছিত করা হলো। এই কমিটি স্থগিত করে ছাত্রলীগের নতুন কমিটি দেওয়ার দাবি জানান তারা।



সাতদিনের সেরা