kalerkantho

রবিবার । ২ অক্টোবর ২০২২ । ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

খুনি রশিদকে দেশে এনে ফাঁসি কার্যকরের দাবি এলাকাবাসীর

চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

১৫ আগস্ট, ২০২২ ০০:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খুনি রশিদকে দেশে এনে ফাঁসি কার্যকরের দাবি এলাকাবাসীর

খুনি কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশিদ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকারীদের অন্যতম কর্নেল (অব.) খন্দকার আব্দুর রশিদের অবস্থান নিশ্চিত করে দ্রুত তাঁকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে কুমিল্লার চান্দিনাবাসী। ৪৭তম জাতীয় শোক দিবসে সরকারের কাছে এ দাবি জানায় আব্দুর রশিদের নিজ গ্রাম ছয়ঘড়িয়াসহ চান্দিনাবাসী।  

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে চলছিলেন আত্মস্বীকৃত খুনি আব্দুর রশিদ। ১৯৮৮ সালে তাঁর ভাই খন্দকার আব্দুল মান্নান চান্দিনা থেকে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হন।

বিজ্ঞাপন

১৯৯৬ সালের নির্বাচনে (ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ) ফ্রিডম পার্টির ব্যানারে কুড়াল প্রতীকে অংশ নেন আব্দুর রশিদ। একই সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর আত্মগোপনে চলে যান তিনি।   

১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকার জজ আদালত খুনি আব্দুর রশিদসহ ১৫ আসামির ফাঁসির আদেশ দেন। ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্ট ১২ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন, যার মধ্যে রশিদও রয়েছেন। ২০১৫ সালে সরকার রশিদের বাড়িসহ চার একর ৭৪ শতাংশ জমি বাজেয়াপ্ত করে।  

ছয়ঘড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক শ্রমবিষয়ক সম্পাদক রোকন উদ্দিন ভূইয়া জানান, খুনি রশিদকে দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকর করলেও তাঁর মরদেহ এই গ্রামের মাটিতে ঠাঁই হবে না। রশিদ এই দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন, এই গ্রামের মাটি তাঁকে স্পর্শ করবে না। একই গ্রামের বাসিন্দা ও কেরণখাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সুমন ভূইয়া বলেন, তাঁর ফাঁসি কার্যকর হলে কলঙ্ক মুক্তির পাশাপাশি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবে চান্দিনাবাসী।  

চান্দিনা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন বক্সী জানান, ‘খুনি আব্দুর রশিদ শুধু চান্দিনারই নয়, বাংলাদেশ তথা বিশ্বের এক কলঙ্কিত ব্যক্তির নাম। আমরা যত দ্রুত সম্ভব ওই কলঙ্ক থেকে মুক্তি চাই। ’



সাতদিনের সেরা