kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ অক্টোবর ২০২২ । ২১ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

চট্টগ্রামে পাহাড় রক্ষার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৪ আগস্ট, ২০২২ ০০:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চট্টগ্রামে পাহাড় রক্ষার দাবি

চট্টগ্রামে গত ৪০ বছরে ১২০টি পাহাড় নিধন হয়েছে। ৪০ বছর আগে পাহাড় ছিল দুই শর বেশি। অর্থাৎ ৬০ শতাংশ পাহাড় বিলুপ্ত হয়েছে। অবশিষ্ট পাহাড় সংরক্ষণ করা জরুরি।

বিজ্ঞাপন

 

গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে চট্টগ্রামের ইতিহাস সংস্কৃতি গবেষণা কেন্দ্র ও বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের যৌথ উদ্যোগে জঙ্গল সলিমপুরসহ চট্টগ্রামের সব পাহাড় সংরক্ষণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ এবং নদী রক্ষার দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এই দাবি জানান।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি—বেলা আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আলিউর রহমান। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ২০০৮ সাল পর্যন্ত পাহাড় বিলুপ্ত হয়েছে ৮৮টি। আংশিক কাটা হয়েছে ৯৫টি। ২০০৮ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ।  

আলিউর রহমান বলেন, ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম মহানগরীতে পাহাড় ছিল ৩২.৩৭ বর্গকিলোমিটার। ২০০৮ সালে তা কমে ১৪.২ বর্গকিলোমিটারে নেমে আসে। এর মধ্যে সর্বাধিক পাহাড় কাটা হয়েছে বায়েজিদ, খুলশী, পাঁচলাইশ, কোতোয়ালি ও পাহাড়তলী থানা এলাকায়।  

এ ছাড়া সিডিএ পাহাড় কেটে বায়েজিদ-ফৌজদারহাট লিংকরোড নির্মাণ করেছে। এতে ১৫টি পাহাড় কাটা হয়েছে। শেষে পরিবেশ অধিদপ্তর ১০ কোটি টাকা জরিমানা করে। কিন্তু সেখানে এখনো পাহাড় কাটা চলছে। অন্যদিকে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগরে সবুজ পাহাড়ি এলাকা ছিল তিন হাজার এক একর। কিন্তু ভূমিদস্যুদের থাবায় সেই সবুজের বেশির ভাগই এখন হারিয়ে গেছে। এখন অবশিষ্ট পাহাড় রক্ষা করা প্রয়োজন।  

ওই পাহাড় রক্ষায় সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগ এবং উদ্ধার অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, পাহাড় দখল রোধে প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ সর্বাত্মকভাবে বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি। না হলে পাহাড় রক্ষা হবে না।  

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মঞ্জুরুল কিবরিয়া, বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের সভাপতি চৌধুরী ফরিদ প্রমুখ।



সাতদিনের সেরা