kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

‘১২০ টাকার মাছ এখন ২৬০ টাকা, তরিতরকারি তো ছোঁয়া যাচ্ছে না’

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৩ আগস্ট, ২০২২ ০৯:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘১২০ টাকার মাছ এখন ২৬০ টাকা, তরিতরকারি তো ছোঁয়া যাচ্ছে না’

‘১২০ টাকার কার্প মাছের দাম এখন ২৬০ টাকা। তরিতরকারি তো ছোঁয়া যাচ্ছে না। ইলিশের দাম শুনতে ভয় লাগে। দেশি মাছ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা কেজি দরে।

বিজ্ঞাপন

তেল, লবণ, আটা, ডাল, সাবান, মসলা—সব কিছুর দামই বেড়ে চলেছে। আমরা নিম্ন আয়ের মানুষ এখন কী খাব, কিভাবে চলব বুঝে উঠতে পারছি না। ’ কথাগুলো বলছিলেন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিলখি গ্রামের বাসিন্দা হায়দার আলী। গতকাল শুক্রবার সকালে গোপালগঞ্জ বড়বাজারে বাজার করতে যান তিনি। সেখানেই তাঁর সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের।

শুধু হায়দার আলীর সঙ্গে নয়, কথা হয় বাজার করতে আসা ঘোষেরচর গ্রামের রোকশনা বেগম, সেলিম খান, শহরের নবীনবাগ এলাকার মুদি দোকানি নূর আলম সিকদার, মধুপুর গ্রামের আজিবর মোল্লাসহ অনেকের সঙ্গে। আজিবর বলেন, ‘যে টাকা নিয়ে বাজারে আসি, চাহিদার তুলনায় সেই টাকা দিয়ে অর্ধেক জিনিস কিনে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর থেকে চালের দাম প্রকারভেদে কেজিতে বেড়েছে তিন-চার টাকা। পেঁয়াজের দাম বেড়েছে কেজিতে পাঁচ টাকা আর আদা-রসুনের ১০ টাকা। এ ছাড়া সব সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ৩০ টাকা। বেড়েছে আটা, ময়দা, চিনি, লবণ, ডিম, মসলা, সাবানসহ সব নিত্যপণ্যের দাম। ’

এ ব্যাপারে জেলা বাজার ও কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. আরিফ হোসেন বলেন, ‘তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন ভাড়া বেড়েছে। সেই সঙ্গে দ্রব্যমূলের দামও কিছুটা বেড়েছে। তবে আমরা বাজার মনিটর করে যাচ্ছি যাতে কোনো ব্যবসায়ী পণ্য মজুদ করে সংকট সৃষ্টি করতে না পারে। ’



সাতদিনের সেরা