kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের প্রকল্প একনেকে

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

১২ আগস্ট, ২০২২ ২৩:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের প্রকল্প একনেকে

বঙ্গোপসাগরের জোয়ারের তোড়ে কক্সবাজার সৈকতের ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। আজ শুক্রবার পূর্ণিমা তিথির জোয়ারের পানির তীব্রতায় সৈকতের ব্যাপক এলাকা তলিয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেওয়া বালু ভর্তি জিও ব্যাগেও কোনো কাজে আসছে না।

ভাঙনের কবলে পড়ে লাবণী পয়েন্ট সৈকতের বিস্তীর্ণ বালুচর সাগরে তলিয়ে গেছে।

বিজ্ঞাপন

সৈকতের প্রচুরসংখ্যক ঝাউবিথীও ভাঙনের কবলে পড়ে উপড়ে পড়েছে। জোয়ারে কুতুবদিয়া দ্বীপের নিম্নাঞ্চল কয়েক ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে।

এদিকে কক্সবাজার সৈকতকে রক্ষার জন্য স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার। তিনি বলেছেন, ইতিমধ্যে সমীক্ষার কাজ শেষ করে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের একটি প্রস্তাব একনেকে জমা দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী বাঁধের প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। এটি একনেকে পাশ হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ার কক্সবাজারে এ তথ্য জানিয়েছেন। গত কয়েকদিনের সামুদ্রিক উচ্চ জোয়ারের পানির তোড়ে বিশ্বের দীর্ঘতম কক্সবাজার সৈকতের প্রায় ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয়। সিনিয়র সচিব সৈকত তীরের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন শেষে সাগর পাড়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরো জানান, স্থায়ী বাঁধটি সাগর তীরের নাজিরারটেক থেকে শুরু করে মেরিন ড্রাইভের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে।

স্থানীয় সাংবাদিকরা এসময় সচিবকে অবহিত করেন যে, সৈকত থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ থাকা সত্বেও পাউবোর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে ভাঙন আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে। জিও ব্যাগ ভর্তি বালু ফেলার আগে পর্যন্ত সৈকতে ভাঙন দেখা দেয়নি। কিন্তু ব্যাগ ভর্তি বালু ফেলার পর পরই ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাউবো জরুরি কাজের নামে অহেতুক সরকারি টাকায় ভাঙন প্রতিরোধের চেষ্টা করছে বলেও তারা জানান। এসময় কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



সাতদিনের সেরা