kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ । ১২ আশ্বিন ১৪২৯ ।  ৩০ সফর ১৪৪৪

এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রেমকান্ত!

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

১১ আগস্ট, ২০২২ ২০:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন প্রেমকান্ত!

প্রেমিকা দাবি করা কলেজছাত্রীর সঙ্গে দেখা করতে না পেরে বরগুনা ছেড়েছেন তামিলনাড়ুর প্রেমকান্ত। তবে এখনো দেশে ফিরে যাননি তিনি। এবার আইনি পরামর্শের জন্য হাইকোর্টর এক আইনজীবীর দ্বারস্থ হয়েছেন প্রেমকান্ত। আজ (বৃহস্পতিবার) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসানের হাইকোর্টের চেম্বারে যান ওই ভারতীয় যুবক।

বিজ্ঞাপন

আইনজীবী ইশরাত হাসান কালের কণ্ঠকে জানান, প্রেমকান্ত অন্য দেশের নাগরিক হলেও বাংলাদেশে তার আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার রয়েছে। এ কারণে তিনি আমার চেম্বারে আইনি পরামর্শের জন্য এসেছিলেন।

এর আগে গত ৬ আগস্ট বিকেলে পুলিশের সহযোগিতায় বরগুনা ছাড়েন তিনি। জানা যায়, ২০১৯ সালে তামিলনাড়ুর যুবক প্রেমকান্তের সঙ্গে বরগুনার তালতলীর এক কলেজছাত্রীর সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয়।

প্রেমকান্তের দাবি, পরিচয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই প্রেমিকাকে একনজর দেখার জন্য তিনি তামিলনাড়ু থেকে বাংলাদেশে ছুটে আসেন। গত ২৪ জুলাই বরিশালের একটি রেস্টুরেন্টে তাদের দুজনের দেখা হয়। পরে ওই তরুণী তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এর পর থেকেই তিনি বরিশাল ও তালতলীর বিভিন্ন স্থানে প্রেমিকাকে খুঁজতে থাকেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের হেফাজতেও থাকতে হয়েছে তাকে। ওই থানা পুলিশ প্রেমকান্তের নিরাপত্তা নিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে কথা বলে তাকে ঢাকায় পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু প্রেমকান্ত ঢাকায় না গিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) দিনগত রাতে বরিশাল থেকে সড়কপথে বরগুনা এসে পরদিন (৫ আগস্ট) শুক্রবার দুপুরে প্রেমিকা ও তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য তালতলীতে আসেন।

এদিকে প্রেমিকা তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগ এনে ওই দিন (৫ আগস্ট) শুক্রবার রাতে তরুণীর বাবা বাদী হয়ে তামিলনাড়ুর যুবক প্রেমকান্তর নামে তালতলী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।  

অভিযোগের কথা জানতে পেরে প্রেমকান্ত ওই দিন রাতে তালতলী থেকে বরগুনা গিয়ে রাতযাপন করেন। পরদিন শনিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে বরগুনা পৌর বাস টার্মিনাল থেকে বরিশালের একটি যাত্রীবাহী বাসে বরগুনা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঢাকার উদ্দেশে তাকে পাঠিয়ে দেন।



সাতদিনের সেরা