গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুউল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন আন্দোলন করেন, চা খাওয়াব। চা খাওয়ানোর জায়গায় এখন বন্দুকের গুলি খাওয়ালেন। এটা তো ওনাকে অপমান করা হলো। সরকারের নিজের দলের লোকেরা ওনাকে (প্রধানমন্ত্রী) অপমান করেছেন।
বিজ্ঞাপন
এখন কোনোক্রমেই দেশের এই অর্থনৈতিক অবস্থা, রাজনৈতিক অবস্থা ও চারদিকের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আমি মনে করি প্রধানমন্ত্রীর আলোচনায় বসা উচিত। টেবিলে বসাটা ওনার জন্যও লাভ, বিএনপির জন্যও লাভ।
মঙ্গলবার (০২ আগস্ট) দুপুরে সাভার গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজের ২৭তম ব্যাচের নবীনবরণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের বরণ ও মাসব্যাপী কমিউনিটি প্রশিক্ষণ উদ্বোধনকালে জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেন। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নবীন শিক্ষার্থীদের শপথ বাক্য পড়ানো হয়।
এ সময় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাংবাদিকদের আরো বলেন, খুন করেও মানুষের জামিন হয়। আর উনি তো মাত্র দুই কোটি টাকা এ পকেটে না রেখে ও পকেটে রেখেছেন । বিএনপির এত আন্দোলন করার কিছু নেই। সাত দিন হাইকোর্টটাকে ঘিরে রেখে ১০ হাজার লোক নিয়ে বসে থাকেন, দেখেন ওনার জামিন হয়ে যাবে। এরপর দেখবেন যে আন্দোলনের ধারাটা অন্য রকম হয়ে গেছে। তখন সরকার আলোচনায় বসতে বাধ্য হবে।
গণস্বাস্থ্যের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মহিবুল্লাহ খন্দকারের সভাপতিত্বে এ সময় প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী।
দেশপ্রেমের জন্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে কাদের সিদ্দিকী অনুষ্ঠানে তার বক্তব্যে বলেন, যৌবনে নারীর প্রেমে পড়িনি, বরং দেশের প্রেমে পড়েছিলাম, নেতার প্রেমে পড়েছিলাম। তাইতো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে দেশমাতাকে রক্ষা করতে হাসিমুখে যুদ্ধ করেছিলাম।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে গণস্বাস্থ্যের বিভিন্ন কর্মকর্তাসহ কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।