kalerkantho

রবিবার । ১৪ আগস্ট ২০২২ । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৫ মহররম ১৪৪৪

১৪ বছর পরে রায়

আওয়ামী লীগ নেতা হত্যায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন

খুলনা অফিস   

১ আগস্ট, ২০২২ ১৫:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আওয়ামী লীগ নেতা হত্যায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক খান ইবনে জামান হত্যা মামলায় তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আদালত তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শেখ তৈয়েবুর রহমান ওরফে ইরান, অপূর্ব কুমার বিশ্বাস ওরফে অপু ও মো. সোহাগ শেখ। অপরদিকে এ মামলার অন্য আসামি আশুতোষ ব্যাপারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদা খাতুন আজ সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন।

প্রায় ১৪ বছর আগে ২০০৮ সালের ১৩ অক্টোবর রাতে খুলনা মহানগরীর খালিশপুরে নিজ বাড়িতে শ্বাসরোধ ও মাথায় আঘাত করে আওয়ামী লীগ নেতা খান ইবনে জামানকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তার দুই পা দড়ি দিয়ে এবং হাত একটি লুঙ্গি দিয়ে বাঁধা ছিল। নিহত ইবনে জামান ছিলেন চিরকুমার।

মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কে এম ইকবাল হোসেন জানান, আলোচিত এ হত্যা ঘটনার পর নিহতের ভাই মো. শাহাব উদ্দিন খান বাদী হয়ে ১৪ অক্টোবর অজ্ঞাত পরিচয় দুর্বৃত্তদের আসামি করে খালিশপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই বছর ২১ অক্টোবর র‌্যাব সদস্যরা হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে শেখ তৈয়েবুর রহমান ওরফে ইরান, অপূর্ব কুমার বিশ্বাস ওরফে অপু ও মো. সোহাগ নামে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করে। তারা ওইদিন আদালতে খান ইবনে জামানকে হত্যায় সম্পৃক্ততার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০০৯ সালের ১৪ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির ইন্সপেক্টর নিখিলচন্দ্র মণ্ডল তিনজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০০৯ সালের ৩ জুন মামলার বাদি মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দাখিল করেন। একই বছরের ২৭ আগস্ট মুখ্য মহানগর হাকিম মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।

২০১০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এস আই আবদুল গফুর চার জনকে আসামি করে আদালতে ফের অভিযোগপত্র দাখিল করেন। চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, শেখ তৈয়েবুর রহমান ওরফে ইরান, অপূর্ব কুমার বিশ্বাস ওরফে অপু, মো. সোহাগ ও আশুতোষ ব্যাপারী। হত্যা ঘটনার পেছনে সমকামিতায় সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।  



সাতদিনের সেরা