kalerkantho

রবিবার । ১৪ আগস্ট ২০২২ । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৫ মহররম ১৪৪৪

মায়ের সামনে কিশোরীকে ধর্ষণ : ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

ফেনী প্রতিনিধি   

১৪ জুলাই, ২০২২ ১৭:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মায়ের সামনে কিশোরীকে ধর্ষণ : ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড

ফেনীতে মায়ের সামনে কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনায় বৃহস্পতিবার তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার।  

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের নাজিরপুর গ্রামের আবুল কালামের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, ফকির আহম্মদের ছেলে আবুল কাশেম ও পাশের সুলতানপুর গ্রামের আবদুর রশিদের ছেলে মো. লাতু। তারা তিনজনই মামলা দায়েরের পর গ্রেপ্তার হন। পরে জামিনে ছাড়া পেয়ে রায় ঘোষণার সময় পর্যন্ত পলাতক রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

একই মামলায় মো. ফারুক নামে অপর একজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।  

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পন করলে তখন থেকে রায় কার্যকর করা হবে বলে জানান বিচারক।  

মামলার বিবরণ ও আদালত সুত্র জানায়, ২০০৩ সালের ১২ মে গভীর রাতে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নে ঘরের দরজা ভেঙে চার দুর্বৃত্ত মা ও কিশোরী ঘর থেকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে বের করে নিয়ে আসে। পরে মাকে বেঁধে রেখে মেয়েকে ধর্ষণ করে তারা। পরদিন সোনাগাজী থানায় চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।  

তিন মাসের মাথায় মামলার তদন্ত শেষে একই বছর ১৩ আগস্ট সোনাগাজী থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) নুরুল ইসলাম আসামি মো. ফারুক, জাহাঙ্গীর আলম, আবুল কাশেম ও মো. লাতুসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলার শুনানীকালে ৯ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।   

ফেনী জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ সহকারী সরকারি কৌসুলী (সিনি. এপিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদ আহম্মদ হাজারী ফেনীর সোনাগাজীর একটি গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ডে রায় প্রদান এবং একজনকে বেকসুর খালাস প্রদানের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিনজন আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা যখন গ্রেপ্তার অথবা আদালতে আত্মসমর্পন করবেন তখন থেকে রায় কার্যকর করা হবে।  

আসামি পক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।



সাতদিনের সেরা