kalerkantho

শুক্রবার । ১২ আগস্ট ২০২২ । ২৮ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৩ মহররম ১৪৪৪

চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে নারীকে মারধর, যুবক গ্রেপ্তার

কুমিল্লা প্রতিনিধি   

২ জুলাই, ২০২২ ১৯:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে নারীকে মারধর, যুবক গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার জামাল হোসেন।

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে সালিসে মরিয়ম বেগম নামের এক নারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলা নিয়েছে মুরাদনগর থানার পুলিশ। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ মামলা গ্রহণ করে এজাহারভুক্ত ৭ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।  

আজ শনিবার সকালে উপজেলার ত্রিশ গ্রামে অভিযান চালিয়ে জামাল হোসেন (৩০) নামের আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে শনিবার সকালেই আহত মরিয়ম বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন উপজেলার উত্তর ত্রিশ গ্রামের মৃত শাহ আলম মেম্বারের ছেলে ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন, তার ছোট ভাই সুমন সরকার, রাসেল মিয়া, সুধন মিয়ার ছেলে হাবিব মিয়া, হাসু মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়া, তবদল মিয়ার ছেলে রনি মিয়া, লতু মিয়ার ছেলে আলমগীর হোসেন।

এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাশিম বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসমিরা পলাতক রয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে বিভিন্ন স্থানে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন ওরফে ভিপি জাকির পূর্ববিরোধ মীমাংসা করার কথা বলে গত ২৮ জুন রাতে উপজেলার ত্রিশ গ্রামের মরিয়ম বেগমকে লোক মারফত কোম্পানীগঞ্জ বাজারে ডেকে আনেন। এ সময় এক ব্যবসায়ীর দোকানে সালিসে বসেন তিনি। সালিস চলাকালে ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন তার দলবল নিয়ে ওই নারীকে শ্লীলতাহানিসহ ব্যাপক মারধর করে। এ সময় আত্মরক্ষার্থে ওই নারী এদিক-সেদিক দৌড় দিতে থাকেন। এর পরও হামলাকারীরা তার পিছু নিয়ে তাকে ব্যাপক নির্যাতন করে। ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি জাকির তার আসনে বসে এসব দৃশ্য উপভোগ করেন।

হামলা ও মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। গত ইউপি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণে চেয়ারম্যান ও মেম্বার ওই নারীর ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।



সাতদিনের সেরা