kalerkantho

মঙ্গলবার। ৯ আগস্ট ২০২২ । ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১০ মহররম ১৪৪৪

শিক্ষক হত্যা

ঘটনাস্থলে আজও পড়ে ছিল হত্যায় ব্যবহৃত স্টাম্প!

সাভার প্রতিনিধি   

২৮ জুন, ২০২২ ২০:০৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘটনাস্থলে আজও পড়ে ছিল হত্যায় ব্যবহৃত স্টাম্প!

ছাত্রের অতর্কিত হামলায় সাভারে কলেজ শিক্ষক হত্যার তিন দিন পরও ঘটনাস্থলে পড়ে ছিল হত্যায় ব্যবহাহৃত স্টাম্প। আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে স্কুলের কক্ষেই দেখা পান স্টাম্পটির। এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হলে ঘণ্টাখানেক পর এসে পুলিশ স্টাম্পটি জব্দ করে নিয়ে যায়।  

এর আগে স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিজ্ঞাপন

তবে পুলিশ এখনো মামলার প্রধান আসামি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতুকে (১৯) গ্রেপ্তার করতে পারেনি।  

হামলার ঘটনার পরদিন (২৬ জুন) আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই অসীম কুমার সরকার। গতকাল সোমবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিক্ষক উৎপলের মৃত্যু হয়। হত্যা মামলার দুই দিন পরও ঘটনাস্থলে অরক্ষিতভাবে হত্যার আলামত পড়ে থাকার বিষয়টি ভালোভাবে নিচ্ছে না স্থানীয়রা। তারা পুলিশের দায়িত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।

আলামত স্টাম্প জব্দ করতে এত সময় লাগার কারণ জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জিয়াউল ইসলাম বলেন, 'আমাদের কাজ চলমান আছে। এর আগে আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ও জব্দ করেছে। '

আলামত জব্দ করে থানায় না রেখে ঘটনাস্থলে অরক্ষিত রাখার নিয়ম আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'আমাদের মূল টার্গেট আসলে সিসিটিভি ক্যামেরার ডিভিআর মেশিন। আমরা সেটি আজকে জব্দ করেছি এবং এটি আমরা ফরেনসিক টেস্ট করানোর জন্য পাঠাব। আমরা আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ ঘেঁটে দেখছি। স্টাম্পও জব্দ করা হয়েছে। ঘাতক ছাত্রকে গ্রেপ্তার করতে আমাদের একাধিক টিমের অভিযান চলমান আছে। '

শনিবার (২৫ জুন) দুপুরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকায় হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে শিক্ষক উৎপলের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় ছাত্র জিতু। এ সময় শিক্ষককে স্টাম্প দিয়ে পেটায় সে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সোমবার ভোরে শিক্ষক উৎপল মারা যান। ঘটনার পর থেকে এখনো পলাতক ওই ছাত্র।



সাতদিনের সেরা