kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে গাড়ি আমদানিতে মোংলা বন্দরের রেকর্ড

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি    

২৮ জুন, ২০২২ ১৮:২৯ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে গাড়ি আমদানিতে মোংলা বন্দরের রেকর্ড

গাড়ি আমদানিতে সর্বোচ্চ রেকর্ড গড়েছে মোংলা বন্দর। বিগত বছরের তুলনায় সব রেকর্ড ভেঙেছে, যা চট্টগ্রাম বন্দরকেও ছাড়িয়ে গেছে। চলতি অর্থবছরে (২০২১-২২) এ বন্দরে গাড়ি আমদানি হয়েছে ২০ হাজার ৮০৮টি। যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।

বিজ্ঞাপন

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, মোংলা বন্দর দিয়ে প্রথম ২০০৯ সালে আট হাজার ৯০৯টি গাড়ি আমদানি হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে গাড়ি আমদানি বাড়তে থাকে।  

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মোস্তফা কামাল বলেন, চলতি অর্থবছরে মোংলা বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানি হয়েছে দেশের মোট আমদানির ৬০ শতাংশ। আর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে ৪০ শতাংশ।  ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের দুই বন্দরে গাড়ি আমদানি হয়েছে ৩৪ হাজার ৭৮৩টি। এর মধ্যে মোংলা বন্দরের মাধ্যমে ২০ হাজার ৮০৮ আর চট্টগ্রাম বন্দরে আমদানি হয়েছে ১৩ হাজার ৯১৩টি গাড়ি। বিগত অর্থবছরের তুলনায় এটাই সর্বোচ্চ রেকর্ড বলেও জানান তিনি।  

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, মোংলা বন্দরে গাড়ি আমদানি ক্রমেই বেড়ে চলছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমদানিকারকদের বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা, স্বল্প সময়ের মধ্যে এই বন্দর থেকে গাড়ি খালাস, আমদানীকৃত গাড়ি রাখার জন্য উন্নতমানের শেড ও ইয়ার্ড নির্মাণ এবং আমদানীকৃত গাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে সার্বক্ষণিক টহল ও সিসি ক্যামেরায় মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা রাখা।  

তিনি আরো বলেন, সময় ও অর্থ সেভ হওয়ার কারণে আমদানিকারকরা এই বন্দরকে বেছে নিয়েছেন। এখন পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় ব্যবসায়ীদের আরো সুযোগ তৈরি হলো। ব্যবসায়ীরা গাড়ি আমদানি করে দ্রুতই এখান থেকে সড়কপথে মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টায় গাড়ি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছতে পারছেন। এতে ব্যাপক লাভবান হবেন তারা। সড়ক ব্যবস্থায় উন্নতি হওয়ায় গাড়ি আমদানি বৃদ্ধিসহ এ বন্দরে ব্যাপক কর্মযজ্ঞের সৃষ্টি হবে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বারবিডা) সভাপতি মো. হাবিবুল্লাহ ডন বলেন, 'পদ্মা সেতু চালু হওয়ার ফলে আমাদের ব্যবসায়ীদের আমদানি করা শতাধিক গাড়ি মোংলা বন্দর দিয়ে সাড়ে তিন ঘণ্টায় ঢাকায় পৌঁছে গেছে। ' সেতু চালু হওয়ায় এই বন্দর দিয়ে গাড়ি আমদানির আগ্রহ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।  

জানা গেছে, ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম বন্দরের দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার। আর ঢাকা থেকে মোংলা বন্দরের দূরত্ব ১৭০ কিলোমিটার। যে কারণে একটি গাড়ি বন্দর থেকে খালাসের পর খুবই কম সময়ে ও স্বল্প খরচে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছতে সক্ষম হবে বলে মোংলা বন্দর ব্যবহার করে গাড়ি আমদানি বৃদ্ধি পাবে।



সাতদিনের সেরা