kalerkantho

মঙ্গলবার। ৯ আগস্ট ২০২২ । ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১০ মহররম ১৪৪৪

কর্মশালায় মৎস্যবিজ্ঞানীরা

পুঁটি শিং কই মাছ টিকিয়ে রাখতে পানির মান পরীক্ষা চলছে

চাঁদপুর প্রতিনিধি    

২৮ জুন, ২০২২ ০০:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুঁটি শিং কই মাছ টিকিয়ে রাখতে পানির মান পরীক্ষা চলছে

মলা ঢেলা পুঁটি শিং কই কুঁচিয়াসহ নানা প্রজাতির দেশি মাছ এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে বলে দাবি করেছে মৎস্য বিজ্ঞানীরা। এসব মাছ টিকিয়ে রাখার জন্য নদ-নদীর পানির গুণগত মান পরীক্ষা চলছে। এ ছাড়া দেশের কোন নদীতে কোন ধরনের মাছ বিচরণ করে এবং সেখানকার পরিবেশ ইত্যাদি নিয়েও পর্যালোচনা করেছেন বিজ্ঞানীরা।

ইলিশসহ দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে শীর্ষ মৎস্য বিজ্ঞানীদের নিয়ে চাঁদপুরে আঞ্চলিক কর্মশালায় দেশি মাছ রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে পর্যালোচনা করা হয়।

বিজ্ঞাপন

এ সময় দেশে ইলিশ বিচরণের ছয়টি অভয়াশ্রমের মধ্যে দুটির সীমানা আরো বিস্তৃত করার প্রস্তাব দেয় তারা।

সোমবার বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, নদীকেন্দ্র চাঁদপুরের আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্যবিজ্ঞানী ড. খোন্দকার রশীদুল হাসান। কর্মশালার শুরুতে বার্ষিক গবেষণার অগ্রগতি পর্যালোচনা ২০২১-২২ ও গবেষণা প্রকল্প প্রস্তাবনা ২০২২-২৩ প্রণয়ন উপস্থাপনা করা হয়।

পরে এর ওপর আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, সাবেক মহাপরিচালক ড. আব্দুল মজিদ, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জুলফিকার আলী, চট্টগ্রাম বিভাগের উপপরিচালক আব্দুস সাত্তার, মৎস্যবিজ্ঞানী আসাদুল বাকী, গোলাম মেহেদী হাসান, ফ্লোর রহমান, তায়েফা আহমেদ, রুমানা ইয়াসমিন, সাংবাদিক ফারুক আহম্মদ, মৎস্যজীবী নেতা শাহআলম মল্লিক প্রমুখ। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান, ইলিশ সম্পদ জোরদারকরণ প্রকল্প পরিচালক আবুল বাশার।  

কর্মশালায় অংশ নেওয়া সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে এখন পর্যন্ত মোট মাছের উৎপাদন হচ্ছে ৪৫ লাখ মেট্রিক টনেরও বেশি। এর মধ্যে সাড়ে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন হচ্ছে ইলিশ। এর সঙ্গে দেশি প্রজাতির মাছের উৎপাদন এবং বিলুপ্তির পথে ছোট-বড় মাছ রক্ষায় নানা ধরনের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।



সাতদিনের সেরা