kalerkantho

সোমবার । ১৫ আগস্ট ২০২২ । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৬ মহররম ১৪৪৪

২০০৮ সালের হত্যা মামলায় তিন আসামির যাবজ্জীবন

কুমিল্লা প্রতিনিধি   

২৭ জুন, ২০২২ ১৬:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



২০০৮ সালের হত্যা মামলায় তিন আসামির যাবজ্জীবন

কুমিল্লার বরুড়ার এক যুবককে হত্যার দায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এই মামলা থেকে পাঁচজনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। মো. আলম নামে ওই যুবককে হত্যা করা হয়েছিল ২০০৮ সালে। তবে ১৪ বছর পর আদালতের দেওয়া এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী নিহতের মা মাছুমা বেগম।

বিজ্ঞাপন

সোমবার বেলা ১১টার দিকে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অতিরিক্ত-২ এর বিচারক নাছরিন জাহান এই রায় ঘোষণা করেন। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আবুল কালাম ও কুমিল্লা আদালত পুলিশের পরিদর্শক মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ শিলমুড়ি ইউনিয়নের শিয়ালোড়া গ্রামের বাসিন্দা ফজলুল হক, আবিদ আলী ও আবুল খায়ের।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক মজিবুর রহমান জানান, মামলার ১ নম্বর আসামি ফজলুল হককে যাবজ্জীবন, ৩ নম্বর আসামি আবিদ আলীকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত এক বছরের কারাদণ্ড এবং ৪ নম্বর আসামি আবুল খায়েরকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত ৫ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় মামলার ৮ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আদালতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বরুড়া উপজেলার শিয়ালোড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে আলী নেওয়াজ ও মো.আলমের সঙ্গে একই গ্রামের ফজলুল হকদের বিরোধ চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। এর জেরে ২০০৮ সালের ২০ মার্চ ফজলুল হক, আবু তাহের, আবিদ আলী, আবুল খায়ের, মো. জসীম, সোহেল মিয়া, সুমন, জয়নব বিবি, মো. সুমনসহ কয়েকজন মিলে আলী নেওয়াজ ও তাঁর ভাই মো. আলমকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় আলম ও আলীকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসা জন্য আলমকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২২ মার্চ সকালে তিনি মারা যান। সেদিন সন্ধ্যায় নিহতের মা মাছুমা বেগম বাদী হয়ে বরুড়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলার তদন্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে ১৪ বছর পর সোমবার আদালত রায় ঘোষণা করেছেন।

আদালতের দেওয়া রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বাদী মাছুমা বেগম বলেন, তাঁরা সকলেই আমার ছেলেকে পিটিয়ে ও মারধর করে হত্যা করেছে। এজন্য আমি সবার ফাঁসির রায় প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু এই রায়ে আমি সন্তুষ্ট নই। এজন্য আমি উচ্চ আদালতে যাব।



সাতদিনের সেরা