kalerkantho

শনিবার । ১৩ আগস্ট ২০২২ । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৪ মহররম ১৪৪৪  

নিপীড়নমুক্ত ক্যাম্পাসের দাবিতে রাবি শিক্ষকের প্রতীকী অনশন

রাবি প্রতিনিধি   

২৬ জুন, ২০২২ ১৭:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিপীড়নমুক্ত ক্যাম্পাসের দাবিতে রাবি শিক্ষকের প্রতীকী অনশন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আবাসিক হলগুলোতে ছাত্রলীগের একক দখলদারির প্রতিবাদে প্রতীকী অনশন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন খান।

রবিবার (২৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা চত্বরে তিনি প্রতীকী অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। পরে সেখানে দুপুর ২টা পর্যন্ত অবস্থান নেন। কর্মসূচিতে তিনি শিক্ষার্থী নিপীড়নমুক্ত ক্যাম্পাসের দাবি জানান।

বিজ্ঞাপন

কর্মসূচিতে তার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী।

কর্মসূচিতে অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, 'ক্যাম্পাসে যে অনাচার চলছে সেটি বন্ধ করতে হবে। বাংলাদেশের দ্বিতীয় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ দেশের আনাচ-কানাচে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এ রকম নৈরাজ্য চলছে। আজকে স্বাধীনতার এত বছর পরে এসেও একটা স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখলদারমুক্ত নয়। এখানে স্বাধীনভাবে সবাই জ্ঞানের চর্চা করবে। আগামী দিনে আমাদের জাতিকে নেতৃত্ব দিতে অবশ্যই আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। '

তিনি আরো বলেন, 'আমাদের এখানে সিট বাণিজ্য, হলে হলে নৈরাজ্যসহ বিভিন্ন ঘটনা ঘটছে। যেটা একটি সভ্য সমাজে হতে পারে না। আমাদের এই দেশের অভ্যুদয়ে ছাত্রসমাজের গৌরবময় ভূমিকা আছে। কিন্তু রাজনৈতিক শাসকগোষ্ঠী, ছাত্রসংগঠনগুলোকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে অবশ্যই এগুলো বন্ধ করতে হবে। এই যে নৈরাজ্য চলছে, এটি যদি চলতেই থাকে তাহলে আমরা পিছিয়ে যাব। তাই দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মিডিয়ার মাধ্যমে বলতে চাই, এই যে নৈরাজ্য চলছে তা বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। '

বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী বলেন, সারা দেশে দমন, নিপীড়ন ও দখলদারির রাজনীতি চলছে এবং সেই প্রভাবে ক্যাম্পাসের পরিবেশও এখন একই রকম। যখন যে সরকার এসেছে, সেই সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাব খাটিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দলীয় প্রভাবমুক্ত হওয়া উচিত। ছাত্র-শিক্ষক ও প্রশাসনের স্বাধীনভাবে তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে।  



সাতদিনের সেরা