kalerkantho

সোমবার । ৪ জুলাই ২০২২ । ২০ আষাঢ় ১৪২৯ । ৪ জিলহজ ১৪৪৩

জালিয়াতি করে প্রবাসীর কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আড়াইহাজার প্রতিনিধি   

২২ জুন, ২০২২ ০০:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জালিয়াতি করে প্রবাসীর কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

আড়াইহাজারে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে একই গ্রামের নবীউল্লাহ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। উপজেলার দুপ্তারা ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রতারক ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল আদালতে দুটি মামলা, আড়াইহাজার থানায় ১টি মামলা ও সাধারণ ডায়েরি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগে জানা গেছে, পাঁচবাড়িয়া গ্রামের খন্দকার মোহাম্মদ আমান ও তার ছেলে খন্দকার মোহাম্মদ তাসফিকসহ পরিবারের সব সদস্য আমেরিকা থাকেন।

বিজ্ঞাপন

তাদের বাড়িঘর ও যাবতীয় সম্পত্তি কেয়ারটেকার হিসেবে দেখাশোনা করতেন একই গ্রামের লতিফ ও তার ছেলে নবীউল্লাহ।

তাদের সরলতার সুযোগে আমেরিকাপ্রবাসী মোহাম্মদ তাসফিকের স্বাক্ষর জাল করে জন্মনিবন্ধন সনদ প্রত্যয়নপত্র সৃজন করে আমমোক্তারনামা দলিল করে ৫৩ শতাংশ জমি লিখে নেয় বাড়ির কেয়ারটেকার লতিফ ও তার ছেলে নবীউল্লাহ। উক্ত জমি পাঁচবাড়িয়া ইপিজেডের জন্য সরকার অধিগ্রহণ করে নিয়েছে। প্রতারক বাবা-ছেলে জমি অধিগ্রহণের এক কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা  তুলে আত্মসাৎ করেছেন।

প্রবাসী তাসফিক অভিযোগ করে বলেন, আমরা সপরিবারে আমেরিকায় অবস্থান করছি। আমমোক্তারনামা দলিল জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে। তা ছাড়া আমি বাংলা লিখতে পারি না। অথচ দলিলে বাংলায় স্বাক্ষর করা হয়েছে। যা জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে।

এ ঘটনায় তাসফিকের বাবা খন্দকার মোহাম্মদ আমান বাদী হয়ে নবীউল্লাহ তার বাবা লতিফ, মা রেখা ও ভাই আল আমিনসহ চারজনকে আসামি করে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দেন আড়াইহাজার থানা পুলিশকে। পুলিশ বর্তমানে বিষয়টি তদন্ত করছে।  

অপরদিকে, তাসফিকের ফুফু খন্দকার পারভীনকে জমি কিনে দেওয়ার কথা বলে জমি না কিনেই ভুয়া দলিল দিয়ে আরো ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় খন্দকার পারভীনও নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল আদালতে মামলা করলে আদালত নবীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। বর্তমানে নবী পলাতক।  

আড়াইহাজার থানার ওসি আজিজুল হক হাওলাদার মঙ্গলবার জানান, আদালত ২টি মামলা পুলিশকে তদন্ত করার জন্য নির্দেশ দেন। রিপোর্ট দেওয়ার পর একটি মামলায় নবীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প্ররোয়ানা জারি করেন। অপর মামলার তদন্ত চলছে।



সাতদিনের সেরা