kalerkantho

রবিবার । ১৪ আগস্ট ২০২২ । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৯ । ১৫ মহররম ১৪৪৪

মেঘনার তীব্র স্রোতে চারটি বসতঘর বিলীন, নিখোঁজ ২

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৯ জুন, ২০২২ ১৬:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মেঘনার তীব্র স্রোতে চারটি বসতঘর বিলীন, নিখোঁজ ২

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মেঘনার তীব্র স্রোতে চারটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এ সময় চাতাল মিলের শ্রমিক, মিস্ত্রিসহ দুজন নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন। তারা হলেন রহমত রাইস মিলের চাতাল শ্রমিক মোস্তাক ও মিস্ত্রি শরীফ। তাদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরের আয়নাগোফ এলাকায় বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে ভৈরব ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। দুপুর ২টা পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা যায়নি।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জুলহাস হোসেন সৌরভ, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম বাকি বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ সৌরভ, পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আল আমিন সৈকত প্রমুখ।  এ ছাড়াও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় ও চাতাল শ্রমিকরা জানান, আজ রবিবার সকাল ৮ টার দিকে মেঘনার প্রবল স্রোতে হঠাৎ করে চাতাল শ্রমিকদের তিনটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এ সময় ঘরে বসবাসরত শ্রমিকরা অনেকে প্রাণ বাচাঁতে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেও বসতঘর থেকে আসবাবপত্র সরিয়ে আনতে নিখোঁজ দুজন ঘরে ঢুকলে বসতঘর ভাঙনের সাথে তারাও নদীগর্ভে তলিয়ে যান। খবর পেয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম উদ্ধার অভিযানে নামে।

এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান সবুজ বলেন, 'শুনেছি গতকাল চাতাল মিলের অংশে ফাটল দেখা দেয়। কিন্তু মালিকপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি এবং আমাদেরকেও জানাইনি। আজ সকালে তীব্র স্রোতে তিনটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ ছাড়া সরকারের পক্ষ থেকে তাদের পরিবারকে ত্রাণসহ আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে। '

 এ বিষয়ে ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাজন মিয়া বলেন, 'সকালে খবর পেয়ে আমরা নিখোঁজ দুজনকে উদ্ধারে কাজ চালাচ্ছি। অভিযান অব্যাহত আছে। '



সাতদিনের সেরা