kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, দণ্ডিত 'প্রেমিক'

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০২২ ১৮:০৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা, দণ্ডিত 'প্রেমিক'

টাঙ্গাইলে স্কুলছাত্রীকে আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় প্রেমিকের পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আটজনকে খালাস দেওয়া হয়।

দণ্ডিত মাধব চন্দ্র পাল (৩৩) টাঙ্গাইল পৌরসভার এনায়েতপুর এলাকার সুশীল চন্দ্র পালের ছেলে। টাঙ্গাইলের সরকারি কোঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (২৫ মে) দুপুরে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান এ রায় দেন। রায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

জানা যায়, মাধব পালের সঙ্গে পাশের বাড়ির সত্যরঞ্জন পালের মেয়ে ও জেলা সদর হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী বিথী রানী পালের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে মাধব তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানালে ২০১৫ সালের ১৫ মে বিথী ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। চিকিৎসার পর সুস্থ হলে এলাকায় সালিসে মাধবের সঙ্গে তার বিয়ের দিন ধার্য হয়। কিন্তু মাধব ফোনে বিথীকে জানান, চাপে পড়ে বিয়েতে রাজি হয়েছেন। বিয়ের পর বিথীকে শান্তিতে থাকতে দেবেন না। তিনি বিথীকে আত্মহত্যা করতে বলেন। ফোন পাওয়ার পর ২০১৫ সালের ১৯ মে সকালে বিথী কান্নাকাটি শুরু করে এবং বসতঘরে দরজা বন্ধ করে আত্মহত্যা করে।

ঘটনার পর বিথীর বাবা বাদী হয়ে মাধব, তার বাবা সুশীল পাল, মা আলো রানী পালসহ ৯ জনকে আসামি করে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আইনজীবী আতাউর রহমান আজাদ মামলার বাদীকে আইনি সহায়তা দেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিতকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।



সাতদিনের সেরা