kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

বাচ্চা প্রসবের জন্য এসেছিল ডলফিনটি, মারা গেল

‌র‌ফিকুল ইসলাম, ব‌রিশাল   

২২ মে, ২০২২ ১৬:২৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাচ্চা প্রসবের জন্য এসেছিল ডলফিনটি, মারা গেল

র‌বিবার সকা‌লে সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায় ইরাব‌তি প্রজাতির ডলফিনকে সাঁতার কাটতে দেখা গিয়েছিল। কিছু সময় পর ডল‌ফিন‌টি বালুচরে আট‌কে যায়। তাকে 'তাড়া' করে গভীর সমুদ্রে পাঠিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল স্থানীয়রা। কিন্তু সেই চেষ্টা বৃথা যায়।

বিজ্ঞাপন

ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর সমুদ্রের কাছাকা‌ছি বিচে ডলফিনটিকে মৃত অবস্থায় ভাসতে দেখা যায়।  

ডলফিনটি বাচ্চা প্রসবের জন্য এসে মারা যায় বলে ডল‌ফিন রক্ষা ক‌মি‌টির সমন্বয়ক রুমান ইম‌তিয়াজ তুষার জানান।

পশুপ্রেমীরা জানান, এ ধরনের ডলফিন বছরে তিনবার বাচ্চা প্রসব করে। তবে হালকা শীতের আমেজ পেলে তারা ঝাঁক থেকে পৃথক হয় সমু‌দ্রতীরবর্তী কিংবা অপেক্ষাকৃত ছোট নদী এবং খালে ঢুকে বাচ্চা প্রসব করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এ ডলফিনটিও যে বাচ্চা প্রসবের জন্য এসেছিল তা মোটামু‌টি নি‌শ্চিত করে বলা যায়। সেটির পেটে বাচ্চা থাকায় বালুচরে আটকে যায়। এভাবেই ডল‌ফিন‌টির মৃত্যু হয়।

জানা ‌গেছে, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে ভেসে আসে আট ফুট দৈর্ঘ্যের একটি জীবিত ইরাবতি মা ডলফিন। র‌বিবার সকালে সৈকতের তিন নদীর মোহনায় ডলফিনটি দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরে সকাল ১০টার দিকে মারা যায় সেটি।

ডলফিন রক্ষা কমিটির সমন্বয়ক রুমান ইম‌তিয়াজ তুষার জানান, ডলফিনটির শরীরে বেশ কিছু আঘাতের চিহ্ন ছিল। বিশেষ করে পেটের নিচের দিকে বড় আঘাতের চিহ্ন ছিল। সামুদ্রিক এই প্রাণীটি জালে পেঁচানো ছিল। এটি জীবিত অবস্থায় ভেসে এলেও পরে ১০টার দিকে মারা যায়। জলফিনটির পেটে বাচ্চা রয়েছে।

ওয়ার্ল্ডফিশের জীববৈচিত্র্য গবেষক সাগরিকা স্মৃতি সাংবা‌দিকদের বলেন, 'এই প্রথম সৈকতে জীবিত ইরাবতি প্রজাতির মা ডলফিন ভেসে এসেছে। ডলফিনটি ভেসে আসার কারণ অনুসন্ধানে আমরা গবেষণা করছি। '

মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, ডলফিনটি আলীপুর মৎস্য ঘাটে নিয়ে আসা হয়েছে। এটির পেটে বাচ্চা আছে। ময়নাতদন্ত শেষে নি‌শ্চিত হওয়া যাবে মারা যাওয়ার কারণ।



সাতদিনের সেরা