kalerkantho

সোমবার । ২৭ জুন ২০২২ । ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৬ জিলকদ ১৪৪৩

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল

৩০ মিনিটের কালবৈশাখীতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ ঘর

ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

২১ মে, ২০২২ ১৮:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৩০ মিনিটের কালবৈশাখীতে ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ ঘর

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আজ শনিবার ভোরে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ পাঁচ শতাধিক বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেও এমন তথ্য পাওয়া গেছে। উপজেলার চারটি ইউনিয়নের ওপর দিয়ে এই কালবৈশাখী বয়ে যায়। ঝড় প্রায় ৩০ মিনিট স্থায়ী ছিল বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে বসতঘরের সঙ্গে সঙ্গে ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ঝড়ে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক খুঁটি ভেঙে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন আছে উপজেলায়।

শনিবার ভোরে উপজেলার দেউলাবাড়ী, রসুলপুর, সংগ্রামপুর ও লক্ষ্মীন্দর ইউনিয়নের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামের লোকজন জানায়, শনিবার ভোর ৫টার দিকে প্রচণ্ড বেগে শুরু হওয়া কালবৈশাখী প্রায় ৩০ মিনিট স্থায়ী ছিল।

ঝড়ে দেউলাবাড়ী ইউনিয়নের এমকেডিআর উচ্চ বিদ্যালয়ের তিনটি আধাপাকা ঘর ভেঙে গেছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী জানান, ঝড়ে বিদ্যালয়টির ৪০ লক্ষাধিক টাকার সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ওই ইউনিয়নের দেউলাবাড়ী, উত্তর খিলগাতি, মুখ্যগাংগাইর ও চকপাড়া গ্রামের দুই শতাধিক কাঁচা ও আধাপাকা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছের চাপায় উত্তর খিলগাতি গ্রামে স্কুলছাত্রীসহ একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছে। তারা হলো আতাউর রহমান খান (৭০), তার ছেলে মো. রফিকুল ইসলাম (৪৫) এবং নাতি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রিয়া (১৩)।

একই সময়ে অন্য তিন ইউনিয়নের রসুলপুর মোমিনপুর, গড়ানচালা, লক্ষ্মীন্দর ফটিয়ামারি, সিংহেরচালা, মুরাইদ ও চাকপাড়াসহ ১৫টির বেশি গ্রামে আড়াই শতাধিক ঘর ভেঙে গেছে বলে গ্রামবাসী জানায়। এ সময় সহস্রাধিক গাছ ভেঙে এবং উপড়ে পড়েছে। সড়কে গাছ পড়ে যাতায়াতও বন্ধ হয়ে গেছে অনেক এলাকায়।

এদিকে ঝড় ও ভারি বৃষ্টিতে পাকা ধান, মৌসুমি ফল আম, লিচু, কলাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবয়ন কর্মকর্তা মো. এনামুল হক জানান, চারটি ইউনিয়নে কালবৈশাখী  হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। ঝড়ে বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে। গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন উপড়ে গেছে এবং ফসলেরও ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ইউপি চেয়ারম্যানদের দ্রুত জানাতে বলা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুনিয়া চৌধুরী বলেন, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করতে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় পাঠানো হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করে সাহায্যের ব্যবস্থা করা হবে।



সাতদিনের সেরা