kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

বিশ্বনাথে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি   

২০ মে, ২০২২ ২০:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিশ্বনাথে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে বন্যাকবলিত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলার লামাকাজী, খাজাঞ্চী ও অলংকারী ইউনিয়নের পাশাপাশি নতুন করে বন্যায় প্লাবিত হয়েছে রামপাশা ও দৌলতপুর ইউনিয়ন। বন্যার কারণে গত কয়েকদিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আছেন উপজেলার প্রায় ১৮ হাজার পরিবার। ধীরে ধীরে পানি বৃদ্ধির কারণে নতুন করে আরো অনেক এলাকা বন্যায় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ফলে সময়ের সাথে সাথে উপজেলার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বন্যাকবলিত এলাকার অনেকেই স্থান নিয়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রে, আবার অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন নিজেদের আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে। তবে উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নে পানি কিছুটা কমলেও অন্য এলাকায় পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার রামপাশা ও দৌলতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বন্যার পানি হানা দিয়েছে। ফলে ওই এলাকা মানুষজনকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

জানা গেছে, উপজেলায় প্রথম দিকে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে উপজেলার লামাকাজী, খাজাঞ্চী ও অলংকারী ইউনিয়নে বেশির ভাগ এলাকা। বন্যার পানিতে এলাকার বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি প্লাবিত হয়েছে অনেক হাটবাজার, গুচ্ছগ্রাম, উপাসনালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এমনকি পানিতে তলিয়ে গেছে বোরো ফসল, আউশ ধানের বীজতলা ও সবজি ক্ষেত। সুরমা নদীর পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এসব এলাকায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।

আকস্মিক এই বন্যায় উপজেলার ওই তিনটি ইউনিয়নের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগ-ভোগান্তিতে দিন কাটছে। মানবেতর জীবনযাপন করছেন ওইসব এলাকার পানিবন্দী মানুষ। বর্তমানে উপজেলার রামপাশা ও দৌলতপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গবাদী পশু নিয়ে অনেকেই পড়েছেন চরম বিপাকে। শুক্রবার বৃষ্টি কম হলেও সুরমা নদীর পানি এলাকায় প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।  

এদিকে, উপজেলার লামাকাজি, খাজাঞ্চী ও অলংকারি ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে সরকারি ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার লামাকাজি বাজারস্থ ফারুক মিয়ার বাড়িতে ইউনিয়নের দুই শ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবারের প্যাকেট ও দুই শ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়।



সাতদিনের সেরা