kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

চলাচলের রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৫ পরিবার

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি   

২০ মে, ২০২২ ১৮:২৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চলাচলের রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ, অবরুদ্ধ ৫ পরিবার

চলাচলের রাস্তায় টয়লেট নির্মাণ করে ৫ পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।

বরগুনার আমতলী পৌরসভার ৫টি পরিবার আড়াই মাস যাবৎ অবরুদ্ধ হয়ে আছে। চলাচলে পোহাচ্ছে দারুণ ভোগান্তি। এ ঘটনায় পৌর কর্তৃপক্ষ নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে দাবি করছেন ভুক্তভোগীরা।

জানা গেছে, আমতলী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আজিজ সেক্রেটারিকে আড়াই মাস যাবৎ অবরুদ্ধ করে রেখেছেন প্রতিবেশী খোকন।

বিজ্ঞাপন

মৃত নূর হোসেনের ছেলে খোকন শুধু পথ অবরুদ্ধ করেই ক্ষান্ত হননি, সম্প্রতি পথের ওপর একটি বাথরুমও নির্মাণ করেছেন। ভুক্তভোগী পাঁচ পরিবারের লোকজন এখন অন্য বাড়ির ভেতরের রাস্তা দিয়ে চলাচল করছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পথরুদ্ধ করা জায়গায় পূর্ব-পশ্চিম দিঘলি ১টি মূল সড়ক থেকে ১টি ছোট সংযোগ সড়ক ১টি পুকুর পাড়ে গিয়ে শেষ হয়েছে। পুকুরটির পূর্ব প্রান্তে নাসির মোল্লাকে নিয়ে আজিজের বাড়ি ও পশ্চিম প্রান্তে খোকনের বাড়ি। পুকুর পাড় দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে দুই দিকে দুই পরিবার চলাচল করে। সংযোগ সড়কের মুখশাসহ পুকুরের বেশির ভাগ জমিই বৈধভাবে আজিজের কবলাকৃত জমি।

অন্যদিকে অবৈধ কাগজপত্রের জোরে খোকনও ওই জমি দাবি করছে। আজিজ যাতে ওই জমি দখল করতে না পারে সে জন্য খোকন ১৪৪ ধারায় কোর্টে একটি মামলা দায়ের করে রেখেছে, যা চলমান। আজিজ ইউপি সচিব। তিনি সদ্য অবসরে গিয়েছেন। চাকরির শেষ অবস্থায় তিনি মামলা-মোকদ্দমায় জড়াতে চাননি। এই সুযোগে খোকন পুকুর পাড়ের সংযোগস্থল নিজের আয়ত্তে রেখে আজিজের চলাচলের পথ বন্ধ করে ফেললে পাঁচটি পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। অন্য বাড়িওয়ালারাও চলাচলে বাধা দিচ্ছেন।

ভাড়াটিয়া সাংবাদিক মুনশী আনোয়ারসহ অন্য ভুক্তভোগীরা জানান, আমরা পাঁচ পরিবারের লোকজন এখন অন্য বাড়ির রাস্তা চলাচল করছি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আজিজ বলেন, জমি আমার কবলাকৃত সম্পত্তি। জমির মধ্যে পুকুর পাড়ের রাস্তা দিয়ে আমিসহ ৫টি পরিবার চলাচল করছি। খোকন চলাচলের রাস্তায় একটি পায়খানা বসিয়েছে। বিষয়টি আমি পৌর মেয়রকে জানালেও কোনো সমাধান হয়নি।

অভিযুক্ত খোকন বলেন, আমি পথ অবরুদ্ধ করিনি। জমি আমার। তাই ওখানে পায়খানা বসিয়েছি।

আমতলী পৌরসভার মেয়র মো. মতিয়ার রহমান মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি দেখার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম। তার পরও বিষয়টি দ্রুত সমাধানের ব্যবস্থা নিচ্ছি।



সাতদিনের সেরা