kalerkantho

বুধবার । ২৯ জুন ২০২২ । ১৫ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৮ জিলকদ ১৪৪৩

কুসিকে রিফাতের বিপক্ষে বিদ্রোহী ইমরান, বিএনপিরও দুই প্রার্থী

কুমিল্লা প্রতিনিধি   

১৯ মে, ২০২২ ১৭:৪৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুসিকে রিফাতের বিপক্ষে বিদ্রোহী ইমরান, বিএনপিরও দুই প্রার্থী

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে ছয় মেয়র পদপ্রার্থীর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচজনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছিলেন রিটার্নিং অফিসার। আর একটি মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার কাগজপত্র না থাকায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ পারভেজ খান ইমরানের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই বেলা ৩টা পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল কাগজপত্র জমা দিতে পারায় বেলা ৩টা ১৫ মিনিটে ইমরানের মনোনয়নও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কুসিক নির্বাচনে সকল মেয়র প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা হয়েছে বলে জানান রিটার্নিং অফিসার মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে নগরীর মোগলটুলীতে অবস্থিত জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রার্থীদের তথ্য যাচাই-বাছাই শুরু হয়।

কুসিক নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত, স্বতন্ত্র প্রার্থী (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সদ্য সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু (বিএনপি), স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন কায়সার (বিএনপি) ও কামরুল আহসান বাবুল এবং ইসলামী আন্দোলনের রাশেদুল ইসলাম।

রিটার্নিং অফিসার শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র না থাকায় ইমরানের মনোনয়নপত্র বাছাই সাময়িক স্থগিত করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার মধ্যে সকল কাগজপত্র পাওয়ায় যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মাসুদ পারভেজ খান ইমরান বলেন, 'একটি মামলা থেকে আমি অব্যাহতি পাওয়ার কাগজ জমা দিতে দেরি হওয়ায় সকালে সাময়িক সময়ের জন্য মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই স্থগিত করা হয়েছিল। তবে সেটি জমা দেওয়ায় মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার। আমি এখন নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। '

রিটার্নিং অফিসার শাহেদুন্নবী চৌধুরী জানান, গত ১৭ মে মনোনয়ন জমার শেষ দিনে মোট ১৬৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ছয়জন মেয়র পদপ্রার্থী, ১২০ জন সাধারণ কাউন্সিলর এবং ৩৮ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলবে। এ সময় প্রার্থীকে অথবা তার প্রস্তাবকারী এবং সমর্থনকারী কিংবা তার প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতে হবে।

শাহেদুন্নবী চৌধুরী আরো বলেন, মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীদের তাদের মনোনয়নের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কাছে নির্ধারিত সময়ে আপিল আবেদন করতে হবে। সময়ের বাইরে কেউ আপিল করলে লাভ হবে না।



সাতদিনের সেরা