kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

১৮ মে, ২০২২ ১৮:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইলে প্রতারণা আর যৌতুক দাবির অভিযোগে এক পুলিশ কনস্টেবল স্বামীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্ত্রী। বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন মির্জাপুর উপজেলার আগ ছাওয়ালী গ্রামের সরোয়ার মিয়ার মেয়ে ও পুলিশ কনস্টেবল কবির হোসেনের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার।

আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া আক্তারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর বাবা সরোয়ার মিয়া, মা নাজমা বেগম, ছোট ভাই মিরাজ মিয়া।

সোনিয়া আক্তারের স্বামী কবির হোসেন বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১৪ নম্বরে অবস্থিত পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) কর্মরত।

বিজ্ঞাপন

কবির হোসেন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার আমন গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে সোনিয়া লিখিত বক্তব্যে বলেন, "কয়েক মাস যাবৎ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কবিরের সঙ্গে আমার কথা হয়। এরপর চলতি বছরের (১৪ ফেব্রুয়ারি) আমাদের ঢাকায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে কবির আমার ওপর চালাতে থাকে নির্মম অত্যাচার। পরে কবির টাকা দাবি করে। এ পর্যন্ত কবির আমার কাছ থেকে চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা নিয়েছে। এখন কবির আমার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। সে এখন আমার বাবাকে ফোন দিয়ে বলে, 'যদি সাত লাখ টাকা দিতে পারেন তাহলে আপনার মেয়েকে নিয়ে আমি সংসার করব। ' কবিরের আগে বিয়ে হয়েছিল। সে কথা লুকিয়ে আমাকে বিয়ে করে। আমি কবিরের কঠিন বিচার চাই। "

তিনি আরো বলেন, 'কবিরের বিরুদ্ধে তাঁর নিকটস্থ থানায় অভিযোগ দায়ের করব অতি দ্রুতই। '

সোনিয়া আক্তারের ছোট ভাই মিরাজ বলেন, 'আমার বোনের সঙ্গে যা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বেআইনি। এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। ' সোনিয়া আক্তারের মা নাজমা বেগম বলেন, 'আমার মেয়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে কবির। তাই কবিরের কঠিন বিচার দাবি করছি। ' সোনিয়ার বাবা সরোয়ার মিয়া বলেন, 'পুলিশ মানুষের নিরাপত্তা দেয়। আর সেখানে কবির আমার মেয়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। কবিরের পুলিশে থাকা মানায় না। তার কঠিন বিচার চাই। ' 

অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল কবির হোসেনের ব্যক্তিগত মুঠোফোন এ বিষয়ে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।



সাতদিনের সেরা