kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

ধর্ষণে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, অতঃপর মামলা

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি   

১৭ মে, ২০২২ ১৪:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্কুলছাত্রী, অতঃপর মামলা

নেত্রকোনার মদনে ধর্ষণের পর সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সাব্বির হোসেন (২১), তার বাবা হিরণ মিয়াসহ তিনজনকে আসামি করে সোমবার (১৬ মে) রাতে মদন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় সাব্বিরের বাবা হিরণ মিয়াকে রাতেই গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার আদালতে পাঠায় পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের বাড়রী গ্রামের হিরণ মিয়ার ছেলে সাব্বির হোসেন বাপ্পী।

বিজ্ঞাপন

সে কেন্দুয়ার একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। দেড় বছর আগে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করার এক পর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে স্কুলছাত্রী। ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়া ধামাচাপা দেওয়ার জন্য এলাকায় একাধিক সালিস বৈঠক হয়। পরে ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে আদালতে গিয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে স্কুলছাত্রীকে বিয়ে করে সাব্বির। পরে সাব্বির ও তার পরিবারের লোকজন ওই স্কুলছাত্রীকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সোমবার রাতে মদন থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। রাতেই মামলার আসামি সাব্বিরের বাবা হিরণ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার (১৭ মে) আদালতে পাঠায় পুলিশ।

ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, 'আমার মেয়েটি তার নানার বাড়িতে যাওয়া-আসার পথে প্রেমের প্রস্তাব দিত সাব্বির। সাব্বিরের ধর্ষণে আমার স্কুলপড়ুয়া মেয়েটি সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমি এর বিচার চাই। '

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ভুক্তভোগী মেয়েটির বাবা থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলার প্রেক্ষিতে হিরণ নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।



সাতদিনের সেরা