kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৩০ জুন ২০২২ । ১৬ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৯ জিলকদ ১৪৪৩

৯ শিক্ষক নিয়ে শতবর্ষ উদযাপন করল দেওয়ানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়

দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি    

৮ মে, ২০২২ ১২:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৯ শিক্ষক নিয়ে শতবর্ষ উদযাপন করল দেওয়ানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়

জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ সরকারি (সাবেক কো অপারেটিভ) উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১০৩ তম বছরে শতবর্ষ উদযাপন করেছে । ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানে যখন শতবর্ষের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হচ্ছে তখন স্কুলে পাঠদান করছেন মাত্র ৯ জন শিক্ষক। স্কুলের ভেতর ছিল অন্ধকারাচ্ছ্ন্ন।

গতকাল শনিবার (৭ মে) সারাদিন থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ভেতর দিয়ে পালিত দিবসটি।

বিজ্ঞাপন

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ কবুতর উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।  

১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় দেওয়ানগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ২০২০ সালে তা শতবর্ষ পূর্ণ করে। শতবর্ষ উদযাপনের জন্য শতবর্ষ উদযাপন কমিটি গঠিত হয়। করোনা ও নানাবিধ সমস্যার কারণে ২০১৯ সালের অনুষ্ঠানটি তিন বছর পর ২০২২ সালে ৭ মে অনুষ্ঠিত হয়। বহুল প্রতীক্ষিত এ অনুষ্ঠানঘিরে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে বিরাজ করছিল প্রাণচঞ্চলতা। নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয় বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস।  

আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সংসদ সদস্য বিদ্যালয়ের ছাত্র এম রসিদুজ্জামান মিল্লাত, উপজেলা চেয়ারম্যান সোলায়মান হোসেন, ইউএনও কামরুন্নাহার শেফা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ অনেকে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম কালের কণ্ঠকে জানান ১৯৮৬ সালে বিদ্যালয়টি সরকারিকরণ হয়। তবে ৩৭ বছরেও শূন্য পদগুলো পূরণ হয়নি বলে জানান তিনি। মাত্র ৯ জন শিক্ষক নিয়ে চলছে পাঠদান। পাঁচজন খণ্ডকালিন শিক্ষক দিয়ে কোনভাবে চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিদ্যালয়ের জন্য ২৫টি শিক্ষকের পদ ও শূন্যপদের ১৬টি পদ সৃষ্টি করে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি। এ ছাড়া অফিস সহকারী নৈশ প্রহরীর ৬টি পদ পাঁচ বছর ধরে শূন্য। তিনি আরো বলেন, শত বছরেও বিদ্যালয়ের তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। জোড়াতালি দিয়েই অনেক কষ্টে বিদ্যালয় পরিচালনা করছেন বলে জানান তিনি।



সাতদিনের সেরা