kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়

নারী দিবসে বরণ সহস্রাধিক নারী শিক্ষার্থীকে

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৮ মার্চ, ২০২২ ২২:৫৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নারী দিবসে বরণ সহস্রাধিক নারী শিক্ষার্থীকে

‘টেকসই আগামীর জন্য, জেন্ডার সমতাই আজ অগ্রগণ্য’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ মঙ্গলবার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও দোলন-চাঁপা হলের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালিতে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর, বঙ্গমাতা হলের প্রাধ্যক্ষ নুসরাত শারমিন তানিয়া, দোলন-চাঁপা হলের প্রাধ্যক্ষ সিরাজাম মনিরা, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসাম্মৎ জান্নাতুল ফেরদৌসসহ অন্যরা।

বিজ্ঞাপন

র‌্যালি শেষে নারী দিবসে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব আবাসিক হলে নবাগত সহস্রাধিক শিক্ষার্থীকে বরণ করে নেন হল প্রভোস্ট নুশরাত শারমীন তানিয়া। আবাসিক শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে অভ্যর্থনা ও আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হল প্রাধ্যক্ষ নুসরাত শারমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. তপন কুমার সরকার, সহকারী পরিচালক (কাউন্সিলিং সাইকোলোজিস্ট) মোছা. আদিবা আক্তার, নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক জান্নাতুল নাঈম।  

সমমর্যাদার ভিত্তিতে সমতায়ন তথা নারী-পুরুষের সমঅংশীদারিত্ব নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার মো. জালাল উদ্দিন বলেন, সমাজ এগিয়ে যাবে তখনই যখন নারী-পুরুষ সমানভাবে এগিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেভাবে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে, আমাদের নারীরাও সেভাবে দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের পর মাত্র সাড়ে চার শতাংশ নারী কাজ করতো যেটা এখন প্রায় ৪০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এমনকি আগামী ২০৪১ সালে নারীরা পুরুষের সমানে সমান কাজে অংশগ্রহণ করবে বলে গবেষণায় দেখা গেছে। হল হলো একটা বৃহৎ যৌথ পরিবার, সকলের প্রচেষ্টায় হলের পরিবেশ সুন্দর, শান্ত ও পরিচ্ছন্ন হতে পারে। আমরা নিজেদের বাসা বাড়িতে যেভাবে থাকি, হলকেও নিজের বাসা মনে করে বসবাস করতে হবে।

অনুষ্ঠানে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেন ফোকলোর বিভাগের রাফিয়া ইসলাম ভাবনা, সংগীত বিভাগের তামান্না আক্তার তন্বী ও ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের মালিহা খন্দকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন হলের হাউজ টিউটর মাহমুদা শিকদার, মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম জনি, মাশকুরা রহমান (রিদম)সহ অন্যরা।



সাতদিনের সেরা