kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

১৫০ কোটির সড়কে অনিয়মের অভিযোগ, পরীক্ষার জন্য উপকরণ সংগ্রহ

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি   

২৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০৯:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



১৫০ কোটির সড়কে অনিয়মের অভিযোগ, পরীক্ষার জন্য উপকরণ সংগ্রহ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হদা উপজেলায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে দর্শনা-মুজিবনগর টু লেন রাস্তার নির্মাণকাজে আনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। রাস্তার দুই পাশে তিন ফুট সাববেজ বালি ও খোয়ার মিশ্রণ ব্যবহার করার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে বালি, মাটি ও খোয়ার মিশ্রণ। অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে সাববেজ খুঁড়ে এ মিশ্রণ পরীক্ষার জন্য জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

জানা গেছে, উপজেলার দর্শনা-মুজিবনগর টু লেন রাস্তার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থেকে নাটুদাহ পর্যন্ত ১ শত ২০ কোটি টাকার ২৩ কিলোমিটার ও মেহেরপুর মুজিবনগর উপজেলার ২৯ কোটি টাকার ৭ কিলোমিটার- মোট ১ শত ৪৯ কোটি টাকার রাস্তা নির্মাণে কাজ পান মেহেরপরের ঠিকাদার জহিরুল ইসলাম।

বিজ্ঞাপন

গত ২১ নভেম্বর ২০২০ সালে এই কাজের উদ্বোধন করা হয়। ধীরগতির কাজে রাস্তার দু'পাশের বাড়তি ৩ ফুট প্রসস্থের সাববেজ কাজে বালি ও খোয়ার মিশ্রণ ব্যবহারের কথা। কিন্তু এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বালি, মাটি ও খোয়া। স্থানীয়রা বালির সাথে মাটি ও খোয়া মিশ্রণের ব্যবহার দেখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাছলিমা আক্তারের নিকট অভিযোগ করেন। এ অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যজিস্ট্রেট সুদীপ্ত কুমার সিংহকে ঘটনার তদন্তে পাঠান  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার সাববেজের মিশ্রণ শাবল দিয়ে খুঁড়ে সংগ্রহ করে জনসম্মুখে সিলগালা করে পরীক্ষার জন্য নিয়ে যান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা এলজিইডি'র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান, কার্য-সহকারী রমজান আলী, চুয়াডাঙ্গা রোড অ্যান্ড হাইওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী আজিজ এবং সাইট ইঞ্জিনিয়ার রফিকুল ইসলাম।

চুয়াডাঙ্গা এলজিইডি'র উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে মাটি ও খোয়ার মিশ্রণ রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে পরীক্ষা শেষে সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।  

দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত কুমার সিংহ বলেন, সড়কের দুটি স্থান থেকে সাববেজ খুঁড়ে উপকরণ নিয়ে জনসমুখে সিলগালা করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে। পরীক্ষার পর তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।  



সাতদিনের সেরা