kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ২৪ মে ২০২২ । ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২২ শাওয়াল ১৪৪৩  

'নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন জামায়াত নেতার সন্তান'

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ১৮:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন জামায়াত নেতার সন্তান'

‘আওয়ামী লীগের তৃণমূল থেকে কেন্দ্রে পাঠানো পাঁচজনের তালিকার মধ্যে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আমির ও কর্মপরিষদ সদস্য মুমিনুল হক চৌধুরীর (প্রয়াত) ছেলে রুহুলা চৌধুরীর নাম ছিল না। আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ২৮ বছর চেয়ারম্যান ছিলেন। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে আছি। পাঠানো তালিকার মধ্যে আমিসহ পাঁচজনের মধ্যে কেউ মনোনয়ন পায়নি।

বিজ্ঞাপন

এটা দুঃখজনক ও অত্যন্ত লজ্জাজনক। নৌকার প্রতীক পেয়ে নির্বাচন করছেন একজন চিহ্নিত রাজাকারের সন্তান রুহুলা চৌধুরী। ’

আজ বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাতকানিয়ার চরতী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মঈনুদ্দিন চৌধুরী এসব কথা বলেন। তিনি ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদে রয়েছেন।

তিনি বলেন, 'রাজাকারের সন্তান নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন। বিষয়টি মানতে না পেরে আমি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কাল থেকে আমি নির্বাচনী প্রচারণায় নামব। আমার সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেকেই আছেন। আওয়ামী লীগের কেউ রাজাকারপুত্রকে নৌকা প্রতীকে মেনে নিতে পারছেন না। '

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য নানা হুমকির অভিযোগ এনে চরতী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস প্রতীক) মঈনুদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'রুহুলা চৌধুরীর গ্রামের বাড়ি বাঁশখালী। তাঁর বাবা জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত আমির ও কর্মপরিষদ সদস্য মুমিনুল হক চৌধুরী (প্রয়াত)। দুই ছেলের মধ্যে রুহুলা চৌধুরী ছোট। তিনি সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ড. আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভীর আপন শ্যালক। তাই তাঁরা প্রভাবশালী। '

স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মঈনুদ্দিন চৌধুরী বলেন, 'আমি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় গত ২১ জানুয়ারি রাত ১২টায় অজ্ঞাত ৫০ থেকে ৬০ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী আমার দক্ষিণ চরতী এলাকার গ্রামের বাড়িতে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দিয়ে আসছে। পাশাপাশি ঘরের দেয়ালে আঘাত করে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করে। মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়। '



সাতদিনের সেরা