kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি   

২৬ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:১০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়েছেন শিক্ষার্থীরা

অনশনের প্রায় দেড় শ ঘণ্টা অতিক্রম হয়ে গেলেও এখনো অনশন ভাঙেননি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বরং উপাচার্যের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়েছেন তারা। শিক্ষার্থীদের খাবারের দোকানপাট, হলের ডাইনিং ও ক্যাফেটেরিয়া বন্ধ করে দেওয়া, বিভিন্ন মাধ্যমে তাদেরকে ভয়ভীতি দেখানো, মেডিক্যাল টিম সেবা বন্ধ করে দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে আন্দোলন বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা। ফলে তারা উপাচার্যের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে শপথবাক্য পাঠ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ নেন তাঁরা।

শপথবাক্যে তারা বলেন, আমরা শপথ করছি যে, স্বৈরাচারী ফরিদ উদ্দিনের পদত্যাগের আগ পর্যন্ত আমরা আমাদের দাবি আদায়ের লড়াই অব্যাহত রাখব। অনশনরত ভাই-বোনদের এত দিনের অকুতোভয় সংগ্রামের অনুপ্রেরণা বুকে ধারণ করে আরো দ্বিগুণ শক্তি ও তেজে আমরা আমাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাব। তাঁদের এই দুর্বিষহ যন্ত্রণা আমরা বৃথা যেতে দেব না। দিন হোক, রাত হোক, আমরা এই আন্দোলনের মাঠ ছেড়ে যাব না। আমরা আমাদের এক দফা দাবি আদায় করেই তবে ঘরে ফিরব।

শপথবাক্য পাঠ শেষে অনশনকারীদেরকে আমরণ অনশন থেকে ফিরে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় আন্দোলনকারীরা বলেন, উপাচার্যের কাছে ২৮টি মানুষের প্রাণের মূল্য নেই। এ প্রাণগুলোর মূল্য সত্যিকারার্থে কারো কাছে নেই। থাকলে এতক্ষণে উপাচার্য পদত্যাগ করতেন। এ রকম একজন ‘নির্লজ্জ’ ও ‘বেহায়া’ উপাচার্যের জন্য আমাদের সহপাঠীরা অনশন চালিয়ে মরে যেতে পারে না। একজন উপাচার্যের চেয়ে আমাদের কাছে আমাদের সহপাঠী, ভাই-বোনদের প্রাণ অনেক বেশি দামি। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা কেউ অনশন ভাঙেননি বলে জানা যায়।

অনশনকারীরা বলেছেন, আমরা উপাচার্যের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত অনশন ভাঙব না। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন অনশনকারীদের কেউ কেউ। আন্দোলনকারীরা বলছেন, উপাচার্যের পদত্যাগই হবে তাদের এই ত্যাগের প্রতি সম্মান।



সাতদিনের সেরা