kalerkantho

বুধবার ।  ২৫ মে ২০২২ । ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৩ শাওয়াল ১৪৪৩  

'সবই তো খোলা, খালি ইস্কুল বন্ধ থাইক্য কী অইবো!'

নান্দাইলের বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন দিব্যি খোলা রয়েছে

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ   

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ১৬:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



'সবই তো খোলা, খালি ইস্কুল বন্ধ থাইক্য কী অইবো!'

মহামারি করোনা ও ওমিক্রনের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে বন্ধ হয়েছে। কিন্তু বন্ধ হয়নি ময়মনসিংহের নান্দাইলের বেশ কিছু কিন্ডারগার্টেন। অন্যান্য সময়ের মতোই তা নিয়মমাফিক খোলা হচ্ছে। আর ওই সব প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত সংখ্যক শিক্ষার্থী থাকার পরও অন্য স্কুল থেকে কোমলমতি শিশুরা এসে ভর্তি হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

যা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

ঘটনার বিষয়ে সরেজমিনে আজ মঙ্গলবার সকালে নান্দাইলের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিভিন্ন কিন্ডারগার্টেন খোলা থাকতে দেখা গেছে। যথাসময়ে বিদ্যালয় খুলে পাঠদান করা হচ্ছে গাদাগাদি করে বসে থাকা শিশুদের। কারো মুখে কোনো মাস্ক নেই, নেই কোনো ধরনের সুরক্ষার ব্যবস্থা।  

স্থানীয় মুশলী ইউনিয়নের এসডি প্রি-ক্যাডেট নামে একটি বিদ্যালয় প্রথম পর্যায়ে ছুটি হয় দুপুর ১টার পর। ওই সময় দেখা যায় শিশুরা দল বেঁধে বের হচ্ছে। কারো মুখে কোনো ধরনের মাস্ক নেই। ওই বিদ্যালয়টি পরিচালনা করছেন নার্গিস আক্তার নামে একজন। সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি গাঢাকা দেন। পরে অন্য এক শিক্ষক এগিয়ে এসে বলেন, 'অভিভাবকদের চাপে পড়ে খোলা রাখতে হয়েছে। আমাদের কিছুই করার নাই। ' আগত এক অভিভাবক বলেন, 'সবই তো খোলা, খালি ইস্কুল বন্ধ থাইক্য কী অইবো! এর চেয়ে পোলাপানডি কিছুডা শিখতো পারবো। ' এ সময় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আরো বলেন, 'ইস্কুল বন্ধ কইর্য লাভ নাই। সরকাররে কইন সব বন্ধ করতো। ' 

এ বিষয়ে উপজেলা কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের একাংশের সভাপতি রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে স্কুল খোলা রাখছে কেউ কেউ। এটা অবশ্যই আইনগত অপরাধ। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, অনেক বিদ্যালয় খোলা আছে তা সত্য। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ইতিমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



সাতদিনের সেরা