kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

সেতু থাকলেও নেই কোন সংযোগ সড়ক

ভূরুঙ্গামারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০৯:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেতু থাকলেও নেই কোন সংযোগ সড়ক

কুড়িগ্রামে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের সর্ব উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত ঘেষা গ্রামের নাম শালঝোড়। কালজানী ও গদাধর নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ চরের মতো ওই গ্রামটির কয়েক হাজার মানুষের বসবাস। কিন্তু গ্রাম থেকে বের হবার একটি মাত্র পথ। সেখানে একটি সেতু থাকলেও সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে মানুষ।

বিজ্ঞাপন

গদাধর নদের উপর নির্মিত একটি সেতু। সেতুর সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় কোনরকমে প্রাণ হাতে নিয়ে চলাচল করেছে গ্রামবাসী।

এলাকাবাসী জানায়, ২০০০ সালে গদাধর নদের উপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি সেতু নির্মাণ করে। সেতু নির্মাণের কয়েক বছর পর বন্যায় সেতুটির পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে যায়। আর তখন থেকেই ঝুঁকি নিয়ে সেতু পারাপার করছে মানুষ।

ময়েজ উদ্দিন (৪০) বলেন, এই সেতু পার হয়ে প্রায় ৪ কিলোমিটার পারি দিয়ে কালজানী নদ নৌকায় পার হয়ে সেখান থেকে আরও প্রায় ২ কিলোমিটার পর শিলখুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়। সামান্য কাজের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ পৌঁছাতে এবং বাড়ি ফিরতে প্রায় সারাদিন লেগে যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী এনামুল হক বলেন, গদাধর নদের পূর্ব পারে শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালঝোড় ওয়ার্ড এবং উত্তর ধলডাঙ্গা ওয়ার্ডের একাংশ অবস্থিত। এখানে লোক সংখ্যা প্রায় ১০/১২ হাজার। এখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নির্মিত হচ্ছে একটি বিজিবি ক্যাম্প। প্রতিদিন অনেক মানুষ এ সেতুর উপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। ভারী কোনো জিনিস পরিবহন করতে অনেক কষ্ট করতে হয়।

এ বিষয়ে শিলখুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান‍ ইউসুফ হোসেন বলেন,  আল্লাহ যদি আমাকে পুনরায় নির্বাচিত করেন আমি প্রথমেই ওই সেতু মেরামতের উদ্যোগ নিব ইনশাআল্লাহ।

উপজেলা প্রকৌশলী এন্তাজুর রহমান সেতুর বিষয়ে বলেন, বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের কারণে সেতুটির সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সাতদিনের সেরা