kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

নিখোঁজের ৬ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদীতে মিলল গৃহবধূর লাশ

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি   

২৪ জানুয়ারি, ২০২২ ২২:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিখোঁজের ৬ দিন পর মাথাভাঙ্গা নদীতে মিলল গৃহবধূর লাশ

প্রতীকী ছবি

নিখোঁজের ৬ দিন পর গ্রামের মাথাভাঙ্গা নদী থেকে আলমডাঙ্গার নগরবোয়ালিয়ায় এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে হাটবোয়ালিয়া ফাঁড়ি পুলিশ নদীর পানি থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত লাশের গলায় দাগ রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে ধর্ষণ শেষে গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ নদীর পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়।

বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ স্বামী ও প্রতিবেশী এক যুবককে আটক করেছে।

জানা যায়, প্রায় ১১ বছর পূর্বে নগরবোয়ালিয়া গ্রামের অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন যুবক তুহিন আলীর (৩২) সঙ্গে একই উপজেলার বেলগাছি গ্রামের নূর ইসলাম ভোলার মেয়ে পপি খাতুনের (২৬) বিয়ে হয়। তাদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। গত ১৯ জানুয়ারি রাতে ঘুম ভেঙে গেলে তুহিন আলী তার স্ত্রী পপি খাতুনকে খুঁজে পাননি। তারপর থেকে গৃহবধূ নিখোঁজ ছিলেন।

আজ ৬ দিন পর বাড়ি থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে নিজ গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত মাথাভাঙ্গা নদীর পানিতে একটি লাশ ভাসতে দেখা যায়। গ্রামবাসী এ ঘটনা পুলিশকে জানালে পুলিশ বিকেলে নদী থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে স্বামী ও তার ব্যবসায়িক পার্টনার প্রতিবেশী যুবক ঝন্টু আলীকে আটক করেছে।

লাশ উদ্ধারের পর গৃহবধূর শিশুকন্যা মিম মায়ের লাশ শনাক্ত করে। সে সময় লাশের গলায় লাল দাগ ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

আলমডাঙ্গা থানার ওসি (তদন্ত) তুহিনুজ্জামান জানান, গৃহবধূকে হত্যা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এমন সন্দেহ করার ভিত্তি রয়েছে। তবে ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গ্রাম সূত্রে জানা যায়, নিহত গৃহবধূর স্বামী অল্প বুদ্ধিসম্পন্ন। তবে গুঞ্জন উঠেছে – প্রতিবেশী মাছ ব্যবসায়ী যুবক নেক আলীর সঙ্গে গৃহবধূর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক ছিল। লাশ উদ্ধারের পর থেকে নেক আলী নিরুদ্দেশ। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বার বার রিং দিয়েও পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনসেট বন্ধ ছিল। এ বিষয়টিও পুলিশ গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছে বলে জানা যায়।



সাতদিনের সেরা