kalerkantho

মঙ্গলবার ।  ১৭ মে ২০২২ । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩  

করোনার স্যাম্পলে ধরা ১৮ বছরের পলাতক আসামি!

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২৩ জানুয়ারি, ২০২২ ১৯:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনার স্যাম্পলে ধরা ১৮ বছরের পলাতক আসামি!

চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত নাজিরহাট কলেজের অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহুরী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামি মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭। শনিবার রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাঁচলাইশ থানার সুগন্ধা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ ১৮ বছর আগে এই হত্যা মামলার রায় ঘোষিত হয়েছিল। এর পর থেকেই দুবাই পলাতক ছিলেন মহিউদ্দিন।

বিজ্ঞাপন

মহিউদ্দিনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭-এর হাটহাজারী ক্যাম্পের কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন, মামলার রায় ঘোষণার পর ২০০৩ সাল থেকেই দুবাই পলাতক ছিলেন মহিউদ্দিন। ১৮ বছর প্রবাসে পালিয়ে থাকার পর গত ২৯ অক্টোবর তিনি দেশে ফেরেন।  

আজ রবিবার রাতে পুনরায় দুবাই ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। এ জন্য তিনি কভিড টেস্টের জন্য নমুনা দিয়েছিলেন। এরই গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। মহিউদ্দিন হাটহাজারী মান্দাকিনি গ্রামের এলাহী বক্সের ছেলে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে সালের ১৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম মহানগরীর জামাল খান এলাকার নিজের বাসায় অধ্যক্ষ গোপাল কৃষ্ণ মুহরীকে (৬০) মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। ওই ঘটনায় তার স্ত্রী উমা মুহুরি কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার বিচার শেষে চট্টগ্রামের জজ আদালত গিট্টু নাসির, আজম, আলমগীর ও মন্টুকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এ ছাড়া মহিউদ্দিন, হাবিব খান, সাইফুল ও শাহজাহানকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এই মহিউদ্দিন মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত গিট্টু নাসিরের ছোট ভাই।

রায়ের পর আসামিরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল শেষে হাইকোর্ট তিনজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে ২০০৬ সালের ১৯ জুলাই রায় ঘোষণা করেন। সেই রায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি শাহাজাহান ও সাইফুল খালাস পান। মহিউদ্দিনসহ অন্যদের সাজা বহাল থাকে। অবশ্য আপিলের রায় ঘোষণার আগেই ২০০৫ সালের ২ মার্চ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে গিট্টু নাসির মারা যান।  



সাতদিনের সেরা