kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

বয়স বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ না দেওয়ায় হামলা

চকরিয়ায় বিজয়ী ইউপি সদস্যসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

২০ জানুয়ারি, ২০২২ ২৩:৩৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চকরিয়ায় বিজয়ী ইউপি সদস্যসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কক্সবাজারের চকরিয়ায় স্কুলশিক্ষার্থীকে বিয়ে দিতে বয়স বাড়িয়ে জন্ম নিবন্ধন সনদ না দেওয়ায় ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। পরিষদের সচিব (হামলায় আহত) মো. হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ এবং আরো ৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে থানায় মামলাটি রুজু করেন।

মামলায় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি করা হয়েছে সদ্য নির্বাচিত (এখনো শপথ হয়নি) ডুলাহাজারা ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রমজান আলীকে। অন্য ১০ আসামি হলেন- উলুবুনিয়া গ্রামের রাবেয়া বেগম, লুৎফুর রহমান, মো. মাহিম, আবদুর রশিদ, মো. হারুন, মো. আসিফ, শাহারিয়া, আলা উদ্দিন, মাঈন উদ্দিন, উত্তর পাড়ার জিয়াবুল করিম।

বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, দুই নম্বর আসামি রাবেয়া বেগমের কন্যা হুমায়রা বেগম নামের এক শিক্ষার্থীকে বিয়ে দেওয়ার জন্য ১৬ বছরের স্থলে ১৮ বছর লিখে জন্ম নিবন্ধন সনদ না দেওয়ায় নবনির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য রমজান আলীর নেতৃত্বে বুধবার দুপুরে সদলবলে হামলা চালানো হয়।

এ সময় অফিসের লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের কাগজপত্রও তছনছ করা হয়। বাধা দেওয়ায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় পরিষদের সচিব হুমায়ুন কবির, তিনজন গ্রাম পুলিশ এবং পরিষদের একজন উদ্যোক্তাকে। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) জেপি দেওয়ানের নেতৃত্বে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে চকরিয়া থানার ওসি মুহাম্মদ ওসমান গনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘ডুলাহাজারা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব বাদী হয়ে থানায় এজাহার দিলে তা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে। মামলার আসামিদের ধরতে পুলিশের অভিযানিক দল মাঠে রয়েছে।

তবে হামলায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠা মামলার প্রধান আসামি নবনির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য রমজান আলী দাবি করেছেন, তিনি কোনো হামলার সঙ্গে জড়িত নন। জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে যাওয়া তাঁর এলাকার ভুক্তভোগী রাবেয়া বেগম ও স্বজনদের মারধর করার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পরিষদে গেলে তাকেও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়।



সাতদিনের সেরা