kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

ধর্ষণ শেষে হত্যা, আসামির ফাঁসির আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

২০ জানুয়ারি, ২০২২ ১৯:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণ শেষে হত্যা, আসামির ফাঁসির আদেশ

চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলার এক নারীকে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জসিম উদ্দিন বাপ্পী (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই সঙ্গে দণ্ডিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুানাল-৪ এর বিচারক জামিলউল হায়দার এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ের সময় আসামি কাঠগড়ায় হাজির ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

রায়ের পর তাকে কারাগারে নেওয়া হয়।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওই ট্রাইবুন্যালের সরকারি কৌসুলি নিখিল কুমার নাথ বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছে। রায়ের পর আসামিকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এই মামলায় আসামি ছিল পাঁচজন। এর মধ্যে দুজন কারাগারে মারা যান। বাকি তিনজনের মধ্যে একজন পলাতক। রায় ঘোষণার সময় দুজন হাজির ছিলেন। তাদের মধ্যে একজনের ফাঁসির দণ্ড হয়েছে। অন্যজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। পলাতক দুজন হলেন শরীফ খান ও আইয়ুব খান। পলাতক আসামির নাম মো. আইয়ুব।

রায়ের পর বাদীপক্ষের আইনজীবী বিবেকানন্দ চৌধুরী বলেন, ২০১৭ সালের ২৯ মার্চ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা এলাকায় বাড়ির কাছের পাহাড়ে রান্নার জন্য কাঠ সংগ্রহ করতে যান শারমিন আক্তার নামের একনারী। তিনি বাসায় ফিরে না আসায় স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। ওই রাতে পাহাড়ের পাশে তার ক্ষত-বিক্ষত মরদেহ পাওয়া যায়। পরে পুলিশের তদন্তে উঠে আসে, শারমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে সীতাকু- থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় পুলিশ জসিম উদ্দিন বাপ্পীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করলে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। এই মামলার বিচারিক পর্যায়ে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষণা করে।



সাতদিনের সেরা