kalerkantho

সোমবার ।  ১৬ মে ২০২২ । ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৪ শাওয়াল ১৪৪৩  

আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

অভিযুক্ত এএসআই টঙ্গী পূর্ব থানায় কর্মরত

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর   

১৯ জানুয়ারি, ২০২২ ২৩:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

গাজীপুরের টঙ্গীতে ইয়াবাসহ আটক যুবককে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে সাড়ে ১৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এএসআইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত এএসআই (সহকারী উপপরিদর্শক) মমিনুল ইসলাম টঙ্গী পূর্ব থানায় কর্মরত।   

আটক ব্যক্তির নাম অমিত হাসান (৩০)। টঙ্গীর দক্ষিণ আরিচপুরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকেন।

বিজ্ঞাপন

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আরিচপুর বউ বাজার এলাকা থেকে তাঁকে আটক করেন এএসআই মমিনুল।

অমিতের স্ত্রী বৃষ্টি (২৫) জানান, আটকের খবর পেয়ে তিনি এএসআই মমিনুলের মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করে স্বামীকে ছেড়ে দিতে অনুরোধ করেন। মমিনুল তাঁকে ২০ হাজার টাকা নিয়ে বউ বাজার রেলগেইট এলাকায় দেখা করতে বলেন। পরে ১৩ দিনের সন্তানকে খালি বাসায় রেখে টঙ্গী বাজার এলাকার একটি জুয়েলারির দোকানে স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রেখে ১৬ হাজার ৭০০ টাকা এনে মমিনুলকে দেন। টাকা নিয়ে মমিনুল মধুমিতা রেলগেইট এলাকায় গিয়ে অমিতকে ছেড়ে দিবেন বলে জানান। কিন্তু তিনি অমিতকে না ছেড়ে থানায় নেন।

বৃষ্টি থানায় গেলে মমিনুল জানান, অমিতকে ছাড়া যাবে না। ৫০০টি ইয়াবা বড়ি উদ্ধার দেখিয়ে মামলায় চালান দেওয়া হবে। এ কথা শুনে বৃষ্টি টাকা ফেরত চাইলে মমিনুল তাঁকেও মাদক পাচারের অভিযোগে মামলা দিয়ে চালান করার হুমকি দেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে জানাজানি হলে মমিনুল বৃষ্টিকে ৮ হাজার টাকা ফেরত দেন।

বৃষ্টি বলেন, অমিতকে আটকের সময় অমিতের কাছে ৮ পিস ইয়াবা পাওয়ার কথা জানান এএসআই মমিনুল। গতকাল বুধবার দুপুরে ৫২ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়। তাঁর প্রশ্ন, বাকি ইয়াবাগুলো এএসআই কোথায় পেলেন?

জানতে চাইলে অভিযুক্ত এএসআই মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়টি ওসি স্যার অবগত আছেন। স্যারের নির্দেশে কিছু টাকা ফেরতও দিয়েছি। বাকি টাকা দিয়ে মাল (ইয়াবা) কিনতে খরচ হয়েছে। ’

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মো. জাবেদ মাসুদ বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ সত্য হলে এএসআইকে শাস্তি পেতে হবে।



সাতদিনের সেরা